
মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: চলতি আউশ মৌসুমে ধানে রোগবালাই দমনে সঠিক সময়ে বালাইনাশক প্রয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন মান্দা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শায়লা শারমিন।
একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, যেভাবে বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক বাজারে সরবরাহ করছেন পাইকারি ও খুচরা দোকানদাররা। এসব ঔষুধের গুনগতমান সঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া বলা সম্ভব না। অনেক কৃষক ফসল রক্ষায় দোকানদার ও কোম্পানির প্রতিনিধিদের প্রলোভনে ঔষধ বারবার প্রয়োগ করেও ফল পাচ্ছেন না। এক্ষেত্রে আউশে সঠিক সময়ে বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে।
এতে সেসব কৃষকরা কোম্পানির ঔষুধ গুলোকে ভেজাল বা নিম্নমানের বলে গুঞ্জন ছড়াচ্ছেন। আসলে কোন কোম্পানির ঔষধের গুণগত মান কিরূপ তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া বলা সম্ভব নয়। এরপর খুচরা দোকানদার ও কোম্পানির প্রতিনিধিদের প্রলোভনে পড়ে স্বল্পমূল্যের ঔষধ ক্রয় করে সুফল পাচ্ছেন না কৃষক। অনেক কৃষক কীটনাশক প্রয়োগ করে আশানুরূপ ফল না পেয়ে হতাশ হচ্ছেন।
কৃষি কর্মকর্তারা আরোও বলেন, সঠিক সময়ে সঠিক ঔষুধ প্রয়োগ ও সারি করে ধান রোপণ না করায় আলো বাতাসের অভাবে রোগ বালাই বেশি হচ্ছে । দোকানদারদের দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে কৃষি অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ গ্রহণ করে নিয়ম মেনে ঔষুধ প্রয়োগ করা হলে এরকম সমস্যা হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
কথাপ্রসঙ্গে কৃষি কর্মকর্তা শায়লা শারমিন বলেন, কিছু সংবাদপত্রে দেখলাম “ভেজাল কীটনাশকের বাজার সয়লাব কৃষক দিশেহারা” এমন শিরোনামে নিউজ প্রকাশ করেছেন। পোকাকে রোগ এবং রোগকে পোকা বানিয়ে আমার সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। যদিও পোকা আর রোগ এক না । যা দেখে আমি বিব্রত হয়েছি। এমন বিব্রত সাক্ষাৎকার দেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ করছি। পরবর্তীতে নিউজ প্রকাশের আগে সঠিক জেনেশুনে সংবাদ প্রকাশ করার জন্য অনুরোধ করেন এই কর্মকর্তা।
এগ্রিকেয়ার/এমএইচ
























