
ফসল ডেস্ক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: কৃষক পর্যায়ে ডাল, তেল ও মসলা বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের উদ্যোগে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রকল্পটির খুলনা অঞ্চলের দিনব্যাপী এ কর্মশালা ২৪ অক্টোবর সকাল ১০টায় খুলনার দৌলতপুরস্থ ডিএই অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ নিত্য রঞ্জন বিশ্বাস।
কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন, ডিএই খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপপরিচালক কৃষিবিদ মোহন কুমার ঘোষ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, ডিএই খুলনার উপপরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আব্দুল লতিফ ও সাতক্ষীরা উপপরিচালক কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান।
প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের বিষয়ে উপ-প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ ড.ফ.ম. মাহবুবুর রহমান বলেন, শুধুমাত্র ভাল বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে শতকরা ২০ ভাগ ফলন বৃদ্ধি করা সম্ভব। বর্তমানে ডাল,তেল ও মসলা ফসলের যে চাহিদা রয়েছে তার শতকরা ২৫ ভাগ মাত্র দেশজ উৎপাদন থেকে পূরণ হয় এবং বাকিটা সম্পূর্ণ আমদানি নির্ভর।
এ কারণে কৃষক পর্যায়ে উন্নত মানের বীজের টেকসই ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উন্নতমানের ব্যবস্থাপনা ও মৌ চাষের মাধ্যমে গ্রামীন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও গ্রামীন দরিদ্র মহিলাদের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন করা প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য।
সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত পরিচালক বলেন, সরকারের সফল কৃষি নীতির কারণে দেশজ কৃষি উৎপাদন দৃশ্যমানভাবে বেড়েছে। প্রকল্পের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে, ডাল, তেল ও মসলা জাতীয় বীজের আমদানীর পরিমান কমবে, সেইসাথে উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আধুনিক চাষাবাদে চাহিদার তুলনায় আমদানির পরিমান কমবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
দিনব্যাপী এ কর্মশালায় ডিএই খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও নড়াইলের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, এসসিএ, হর্টিকালচাল সেন্টার, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, এআইএস, বিএডিসি, উদ্ভিদ সংগ নিরোধ কেন্দ্র ও এসআরডিআই এর ৪৭ জন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
























