মেহেদী হাসান, রাজশাহী, এগ্রিকয়োর২৪.কম: ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে দমকা হাওয়া ও বৃষ্টিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম ও নওগাঁয় বোরো ধানের ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষতির পরিমান খুব বেশি হয়নি বলে জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

গতকাল বুধবার (২০ মে ২০২০) রাত দেড়টার দিকে দমকা হাওয়া শুরু হয়। প্রথম দিকে বাতাসের গতি ঝড়ের আকার ধারণ করলেও পরে তা কমে যায়। এতে ক্ষতির পরিমান কম হয়েছে বলে জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম।

ঝড়ের প্রভাবে বিচ্ছিন্নভাবে দু-এক জায়গায় বাড়ি-ঘর, গাছের ডাল ভেঙ্গে পড়া, অপরিপক্ক আম ঝরে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শামছুল হক এগ্রিকেয়ার২৪.কম কে জানান, ধানের ক্ষতি হয়েছে। ফলনের দিকে হিসেব করলে ২ ভাগের মতো ধান ঝরে গেছে।

আমের ক্ষতির ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগাম জাতের আম গোপালভোগ, খিরসাপাত, লখনা এসব আমের ক্ষতি হয়েছে বেশি। ৩ পার্সেন্টের মতো আম ঝরে গেছে। নওগাঁ জেলায় ১৮ হাজার ৬৬৬ হেক্টর জমিতে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩২৫ মেট্রিক টন আম ফলনের আশা ছিল। কিন্তু এখন ৩ ভাগ কম করে হিসেব করতে হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম জানান, আমাদের এ জেলায় ৩৩ হাজার ৩৫ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়।রাতে ঝড় হয়েছে কম। সকাল থেকে পাঁচটি উপজেলা জরিপ করে দেখা যায় নাচোল, শিবগঞ্জ, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাটে ৫ থেকে ৬ ভাগ আম ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আমচাষি, এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে প্রায় ৫০ থেকে ৫২ লাখ টাকার আম ক্ষতি হয়েছে।

ধানের ক্ষতির পরিমান জানতে চাইলে তিনি বলেন, বৃষ্টির কারণে ধানগাছ নুইয়ে পড়লেও রোদ উঠলে সব ঠিক হয়ে যাবে। তেমন বৃষ্টি হয়নি, ৩১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

আরোও পড়ুন: রাজশাহীতে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে আমের ক্ষতি ১০০ কোটি টাকা