Oplus_131072

মো.লিটন হোসেন লিমন, দুই বছর চাকরির পেছনে ঘুরে ঘুরে চাকরি না পেয়ে সামান্য কিছু পুঁজি নিয়ে মাঠা বিক্রি শুরু করেন বিএসসি পড়ুয়া শিক্ষার্থী অর্ঘ্য সরকার। এরপর তাকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি। এখন মাঠা বিক্রি করে মাসে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় করছেন তিনি।

নাটোর সদর উপজেলার বড়হরিশপুর ইউনিয়নের ঘোষপাড়া এলাকার বিপ্লব সরকারের ছেলে অর্ঘ্য সরকার। তিনি রাজশাহী সাইন্স টেকনোলজি ইনস্টিটিউট থেকে বিএসসিতে পড়াশোনা করছেন।

 

অর্ঘ্য সরকার ২০১৯ সালে এসএসসি পাশ করে ডিপ্লোমায় ভর্তি হন। এরপর ৪ বছর ডিপ্লোমা শেষ করে চাকরির জন্য ২ বছর বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ঘুরে কোনো সফলতা মেলেনি। বাবা বিপ্লব সরকার মিষ্টির দোকানে শ্রমিকের কাজ করেন। একমাত্র বাবার আয়ে ছেলের পড়াশোনার খরচ ও সংসারের ব্যয় মেটাতে হিমশিম খেতে হয় তাকে। তাই নিজের পড়াশোনার খরচ আর সংসারের হাল ধরতে অর্ঘ্য শুরু করেন মাঠা বিক্রি। দোকানের নাম দেন অপর্ণা ডেইরি ঠান্ডা মাঠা। শহরের কানাইখালী পুরাতন বাসষ্ট্যান্ডে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিদিন মাঠা বিক্রি করছেন তিনি। দুধ, চিনি, লবন আর আইস দিয়ে সুস্বাদু এ মাঠা বানিয়ে বেশ পরিচিতও পেয়েছেন। তার এ কাজে বন্ধু শুভ সহযোগিতা করেন। প্রতি গ্লাস মাঠা ৩০ টাকায় বিক্রি হয়। প্রতিদিন গড়ে এক থেকে দেড় মণ দুধের মাঠা বিক্রি হয়।

হালসা থেকে মাঠা খেতে আসা রাকিব ইসলাম বলেন, কালকে এ দোকান থেকে দুই গ্লাস মাঠা খেয়েছি। খাবার পর পুরো শরীর প্রশান্তি লাগে। খেতে অনেক সুস্বাদু। তাই আজ আবার এসেছি মাঠা খেতে।