নিজস্ব প্রতিবেদক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: কাংখিত মাত্রার ফলন পাওয়ার জন্য যে সার যতটুকু দরকার শুধু সেই সমস্ত সার ততটুকু প্রয়োগ করতে হবে। মাটি পরীক্ষা ছাড়া জমিতে খাদ্যোপাদানের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানা অসম্ভব।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ‘নগর আবর্জনা থেকে তৈরী কম্পোস্ট ও সয়েল টেস্টিং কিট এর উন্নয়ন ও বাজারজাতকরণ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

বাকৃবি’র মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও বেসরকারি সংস্থা এসিআই  আয়োজন করে এ কর্মশালার। এসময় বাকৃবির সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন ভবনে ‘বাউ সয়েল টেস্টিং কিট’ এর উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশণের সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউসুফ আলী মোল্লা।

মঙ্গলবার (০৬ মার্চ) অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বক্তারা বলেন, ফসলের চাহিদা অনুযায়ী সার সুপারিশ করতে বাউ সয়েল টেস্টিং কিট ভ’মিকা রাখবে।এই কিটের মাধ্যমে মাটির অম্লতা-ক্ষারকতা নাইট্রোজেন,ফসফরাস ও পটাশিয়াম নির্ণয় কওে ফসলের জন্যসঠিক মাত্রার সার সুপারিশ প্রদান করা যাবে।

প্রকল্পের প্রধান গবেষক প্রফেসর ড. মোঃ মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলী আকবর।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হেকাপ এর প্রজেক্ট ডিরেক্টর ড. গৌরাঙ্গ চন্দ্র মোহন্ত, বাকৃবি  পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. মনোরঞ্জন দাস, বাকৃবি উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান এবং এসিআই এর বিজনেস ম্যানেজার বশির আহম্মেদ।

কর্মশালায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও প্রকল্পের অন্যতম গবেষক প্রফেসর ড. মোঃ জহির উদ্দিন এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাকৃবি মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ আনোয়ারুল আবেদীন।

পরে বিষয়ের উপর  শিক্ষকগণ , গবেষক ও আমন্ত্রিত অতিথিগণ উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান গবেষক প্রফেসর ড. মোঃ মজিবুর রহমান বলেন মাটি পরীক্ষা না করে বুঝা যাবে না কোন খাদ্যোপাদান মাটিতে কি পরিমান আছে এবং তা যে ফসল চাষ করা হবে, তার চাহিদা মেটাতে সক্ষম কি না।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ মাঠ পর্যায়ে মৃত্তিকা নমুনা পরীক্ষার জন্য এ ‘বাউ সয়েল টেস্টিং কিট’ উদ্বাবন করেছে যা আধুনিক ও মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা করে ফসরের সর্বোচ্চ ফলন প্রাপ্তির জন্য সুষম মাত্রার সার প্রণয়ন করা যাবে। 

বাকৃবি জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতর পরিচালক ড. আমিনুর রহমান চৌধুরী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।