রবিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২০, ২:৫৭
Home > ফসল > ভেজাল সার প্রতিরোধে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করতে হবে, গাফিলতি যেন না হয়
2097_ACS_1627_19-Poultry_Dairy-Ad
ভেজাল সার প্রতিরোধে নিয়মিত

ভেজাল সার প্রতিরোধে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করতে হবে, গাফিলতি যেন না হয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: ভেজাল সার প্রতিরোধে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করতে হবে, গাফিলতি যেন না হয় বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

আজ বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর, ২০১৯) কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এর সভাপতিত্বে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ’সার বিষয়ক জাতীয় সমন্বয় ও পরামর্শক কমিটির ২য় সভা তিনি এ মন্তব্য করেন।

এসময়ে কৃষকের কথা  মাথায় রেখে এমওপি সারের মূল্য কমানো যেতে পারে, জানান কৃষিমন্ত্রী।



সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, সংসদ সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, মো: আব্দুল হাই, কৃষি সচিব মো: নাসিরুজ্জামান, শিল্প সচিব মো: আবদুল হালিম, বিএডিসি ও বিসিআইসি’র চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ব্ধতন কর্মকর্তারা।

সভায় কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশের কৃষিতে সাধারণত ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি, এমওপি, জিপসাম, জিংক সালফেট এবং বরিক এসিড ব্যবহার করা হয়। আমরা চাই সারের জন্য আর কোন কৃষক যেন কষ্ট করতে না হয় একারণে দেশে পর্যাপ্ত পরিমান সার মজুদ রয়েছে।

তিনি বলেন, কৃষক পর্যায় মিশ্র সার ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য আরও বেশি বেশি উদ্বুদ্ধ করতে হবে। ভেজাল সার প্রতিরোধে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করতে হবে, এ ব্যাপারে কোন গাফিলতি মেনে নেয়া হবে না।

সভায় বিগত অর্থবছরের চাহিদা বরাদ্দ ও ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের জন্য সারের চাহিদা তুলে ধরা হয়েছে। ইউরিয়ার চাহিদা ২৬ দশমিক ৫০ লাখ মে:টন, টিএসপি ৭ দশমিক ৫০ লাখ মে:টন,ডিএপি ৯ লাখ মে:টন,  এমওপি ৮ দশমিক ৫০ লাখ মে:টন, এমএপি দশমিক ৫০ লাখ মে:টন, এনপিকেএস দশমিক ৭০ লাখ মে:টন, জিপসাম ৪ লাখ মে:টন, জিংক সালফেট ১ দশমিক ৩৩ লাখ মে:টন, অ্যামোনিয়া সালফেট দশমিক ১০ লাখ মে:টন, ম্যাগনেসিয়াম সালফেট দশমিক ৮০লাখ মে:টন ও বোরন দশমিক ৪১লাখ মে:টন সর্বমোট: ৫৯ দশমিক ৩৪ লাখ মেট্রিক টন।

সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে আমদানিকৃত সারের শিপিং টলারের সর্বোচ্চ (+-) ১০% বিবেচনায় নিয়ে প্রকৃত আমদানিকৃত সার ভর্তুকির অন্তর্ভুক্ত হবে। দেশের মোট চাহিদার সার বিসিআইসি, বেসরকারিভাবে উৎপাদন ও আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়।

বর্তমান দেশে যে পরিমান সার মজুদ রয়েছে তাতে করে সারের জন্য কোন রকম সমস্যা হবে না। এছাড়া  ডিসেম্বর নাগাদ যমুনা সার কারখনা  সার উৎপাদনে যাবে।

পরে মন্ত্রী কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কর্তৃক আয়োজিত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে  শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট ও বই তুলে দেন।

ভেজাল সার প্রতিরোধে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করতে হবে, গাফিলতি যেন না হয় সংবাদটির তথ্য কৃষিমন্ত্রণালয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: নয় ফসলে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ৮০.৭৩ কোটি টাকা নগদ প্রণোদনা

About এগ্রিকেয়ার২৪.কম

Check Also

কৃষি ও মৎস্য খাতের

কৃষি ও মৎস্য খাতের সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সহায়তা চেয়েছে ব্রুনাই

ডেস্ক প্রতিবেদন, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: কৃষি ও মৎস্য খাতের সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সহায়তা চেয়েছে ব্রুনাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্বত্ব © এগ্রিকেয়ার টোয়েন্টিফোর.কম (২০১৭-২০১৯)
সম্পাদক: কৃষিবিদ মো. হামিদুর রহমান। নির্বাহী সম্পাদক: মো. আবু খালিদ।
যোগাযোগ: চন্দ্রমণি ভিলা, ১৪৯/৪/ খ, দক্ষিণপীরের বাগ, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬।
Email: agricarenews@gmail.com, Mobile Number: 01717622842