নিজস্ব প্রতিবেদক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: নতুন জাতের আমন ধানের চারা রোপণের পর নির্ধারিত সময়ের দেড়মাস আগেই এ ধান কাটা সম্ভব বলে জানিয়েছেন জিন বিজ্ঞানী ও ধান গবেষক ড. আবেদ চৌধুরী। মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় নতুন জাতের  এ আমন ধান উৎপাদন করেছেন বলে দাবি উদ্ভাবকের।

গত বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) এই নতুন জাতের আমন ধান কেটে ঘরে তোলা শুরু করেন বিজ্ঞানীর নিয়োগকৃত কুলাউড়ার হাজীপুর ইউনিয়নের কৃষক রাসেল মিয়া।

অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী জিন বিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী বলেন, আমার উদ্ভাবিত বিভিন্ন জাতের ধানের নাম আমার গ্রামের নামে কানিহাটি ১ থেকে ১৬ পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। আউশের সময় একজমি থেকে তিন বার ধান কেটে ঘরে তোলা হয়েছে। সঠিক পরিচর্যায় ও অল্প সার প্রয়োগে তিন বার ফসল কেটে ঘরে তোলা সম্ভব। সে জমিতে এখন চতুর্থবারের মতো ফসল এসেছে। এই পদ্ধতিতে সারা বছর ধান চাষ করলে ভালো ফলন হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিজ্ঞানী ও ধান গবেষক ড. আবেদ চৌধুরীর নিয়োগকৃত কৃষক রাসেল মিয়া ৩০ শতক জমিতে প্রদর্শনী হিসেবে কানিহাটি-১ থেকে কানিহাটি-১৬ আমন ধান চাষ করেন। জীন বিজ্ঞানীর নিজ গ্রামের নামে নতুন জাতের ধানের নাম রাখেন কানিহাটি। সাধারণত আমন ধানের বীজতলা তৈরি থেকে ফসল কাটা পর্যন্ত সময় লাগে প্রায় সাড়ে চার মাস। এরপর আমন কেটে ঘরে তুলতে হয়। অগ্রহায়ণ মাসে আমন ধান কাটা হয়।

রাসেল মিয়া জানান, এ বছর আমন প্রদর্শনী মাঠে ৩০ শতক জমিতে ১৪ মণ ধান হয়েছে। এ ধানে চিটা’র পরিমাণ নেই। এলাকার কৃষকরা এই জাতের আমন ধানের ফলন দেখে আগামী মৌসুমে চাষাবাদ করতে আগ্রহী হয়েছেন। কম সময়ে ভালোমানের ধান উৎপাদন সম্ভব বলেও জানান তিনি।

এগ্রিকেয়ার/এমএইচ