
অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: চলতি মাসের প্রথম ২০ দিনে ৮৬ হাজার ২৫৫ টন পাম অয়েল রফতানি করেছে মালয়েশিয়া। পণ্যবাহী কার্গোর তথ্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইন্টারটেক টেস্টিং সার্ভিস এ তথ্য জানিয়েছে।
এ বিপুল পরিমাণ তেল রফতানি হলেও তা আগের তুলনায় ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ কমেছে। রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৩৮ হাজার ৩৬৮ টনে। গত মাসের একই সময় রফতানির পরিমাণ ছিল ৮ লাখ ২৪ হাজার ৫৮৯ টন।
প্রতিষ্ঠানটির দেয়া তথ্য বলছে, ১-২০ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়া ৮৬ হাজার ২৫৫ টন অপরিশোধিত পাম অয়েল রফতানি করে। গত মাসের একই সময় রফতানির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩০৩ টন। চলতি মাসের ২০ দিনে আরবিডি পাম অয়েল রফতানি হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৫৫ টন। আগের মাসের একই সময় রফতানি হয়েছিল ৯১ হাজার ৯০ টন। আরবিডি পাম অলিন রফতানি হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৪৩ টন। আগের মাসের একই সময় রফতানির পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৬৮ হাজার ২৮০ টন।
পড়তে পারেন: সর্বনিম্নে নেমেছে মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের দাম
এছাড়া আরবিডি পাম স্টিয়ারিন ৭৩ হাজার ১৫ টন, অপরিশোধিত পাম কারনেল অয়েল ২৫ হাজার ৮৯৫ টন ও পাম ফ্যাটি অ্যাসিড ডিসটিলেট ১৪ হাজার ৪০০ টন রফতানি করা হয়।
চলতি মাসের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি পাম অয়েল রফতানি করা হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ)। রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ৬৩৫ টনে। এছাড়া চীনে ১ লাখ ৪ হাজার ৮৫৩ টন ও ভারতীয় উপমহাদেশে ৯৭ হাজার ৭০০ টন রফতানি করা হয়েছে।
এদিকে ২০২২-২৩ মৌসুমে তেলবীজ উৎপাদনে রেকর্ড ছাড়াবে মেক্সিকো। এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস।
পড়তে পারেন: ৩ লাখ টন পাম অয়েল রফতানি করবে ইন্দোনেশিয়া
তেলবীজ উৎপাদনে রেকর্ড গড়তে পারে এ কারণ হিসেবে তথ্য বলছে, এবার গত বছরের তুলনায় বেশি জমিতে আবাদ করা হয়েছে। তবে আবাদ আরো বাড়ার প্রত্যাশা ছিল। নানা প্রতিবন্ধকতায় কৃষক তেলবীজ আবাদে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। এসব প্রতিবন্ধকতা নিরসন করা গেলে উৎপাদন রেকর্ড ছাড়াবে।
মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানায়, মৌসুম শেষে দেশটিতে তেলবীজ উৎপাদন ২ দশমিক ৬ শতাংশ বাড়তে পারে। তেলবীজের প্রাক্কলিত উৎপাদন ধরা হয়েছে ৪ লাখ ২ হাজার টন। এর মধ্যে শুধু সয়াবিনই উৎপাদন হবে তিন লাখ টন।
এগ্রিকেয়ার/এমএইচ
























