
নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল), এগ্রিকেয়ার২৪.কম: উচ্চফলনশীল ও গুনগত মানের হলেই লেবু রোপণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. আফতাব উদ্দিন।
তিনি বলেছেন, ভিটামিন-সি সরবরাহে লেবুজাতীয় ফল অনন্য। আমাদের চাহিদা পূরণের এর আবাদ বাড়ানো দরকার। জাত নির্বাচনে উচ্চফলনশীলের পাশাপাশি মান যেন গুনগত হয়। শতভাগ নিশ্চিত হয়ে তবেই জমিতে রোপণ করতে হবে।
লেবুজাতীয় ফলের আবাদ বাড়ানোর ওপর অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
রোববার (১৪ জুন, ২০২০) বরিশালের ব্রি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয় এ কর্মশালা। লেবুজাতীয় ফসলের সম্প্রসারণ, ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. আফতাব উদ্দিন।
ডিএই বরিশালের উপপরিচালক মো. তাওফিকুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (এটিআই) অধ্যক্ষ গোলাম মো. ইদ্রিস, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের (আরএআরএস) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ সামসুল আলম এবং প্রকল্প পরিচালক ফারুক আহমদ।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা কৃষি অফিসার মেহের মালিকার সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিএই ঝালকাঠির উপপরিচালক মো. ফজলুল হক, হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক মো. শহীদুল্লাহ, বাবুগঞ্জের উপজেলা কৃষি অফিসার মোসাম্মৎ মরিয়ম, উপপকল্প পরিচালক দ্বীপক কুমার পাল, মনিটরিং অফিসার মো. মোস্তফা কামাল প্রমুখ।
কর্মশালায় লেবু, কাগজিলেবু, জারালেবু, সাতকরা, বাতাবিলেবু, মাল্টা ও কমলা ফলের চাষাবাদ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এতে কৃষকসহ কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ১ শ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
আরও পড়ুন: কৃষি খাতে নতুন ২০৫ প্রকল্প, ব্যয় ৪০ হাজার কোটি টাকা
উচ্চফলনশীল ও গুনগত মানের হলেই লেবু রোপণ করতে হবে এমন মন্তব্যের সাথে উপস্থিত সবাই এক মত প্রকাশ করেন। তারা মনে করেন, শুধু লেবু রোপন করলেই হবে না দেখতে হবে কোন জাতের এবং কেমন মানের হবে। তবেই আবাদে সফলতা মিলবে।
























