
ডেস্ক প্রতিবেদন, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: দেশের অন্যান্য অঞ্চলে শীত আসতে এখনো কিছুদিন বাকি থাকলেও, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার কৃষকরা এরই মধ্যে আগাম জাতের ফুলকপি তুলে বাজারে বিক্রি শুরু করেছেন। আগাম এই সবজির বাজারদর ও চাহিদা দুটোই বেশ ভালো থাকায়, স্থানীয় কৃষকদের মুখে এখন চওড়া হাসি।
স্বল্প সময়ে অধিক লাভজনক ফসল হওয়ায় কিশোরগঞ্জের কৃষকদের মধ্যে ফুলকপি চাষের আগ্রহ বাড়ছে। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে সারি সারি ফুলকপি। কেউ ক্ষেতের আগাছা পরিষ্কার করছেন, কেউবা পোকামাকড় দমনে ওষুধ ছিটাচ্ছেন। পাইকাররা সরাসরি জমি থেকেই প্রতি কেজি ফুলকপি ১০০ টাকা দরে কিনে নিচ্ছেন, যা পরবর্তীতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বড় শহরে সরবরাহ করা হচ্ছে।
নিতাই পানিয়াল পুকুর গ্রামের কৃষক মশিয়ার রহমান জানান, তিনি ৩০ শতাংশ জমিতে আগাম ফুলকপি চাষ করতে প্রায় ২৫ হাজার টাকা খরচ করেছেন। মাত্র ৭০ দিনের মধ্যেই তিনি ৩০ হাজার টাকার কপি বিক্রি করেছেন এবং আরও প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার কপি বিক্রির আশা করছেন।বাজডুমরিয়া গ্রামের আরেক সফল চাষি এনামুল হক বলেন, “বর্ষার ঝুঁকি নিয়েও আমরা নানা কৌশলে চারা উৎপাদন করে আগাম ফুলকপি চাষ করি।
প্রতি বিঘায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হলেও, সব মিলিয়ে প্রায় লাখ টাকার মতো আয় আসে।”কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম জানান, “স্বল্প সময়ে কম খরচে আগাম সবজি চাষ অধিক লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা এতে ঝুঁকছেন। এবার ভালো বাজারমূল্য পেয়ে তারা লাভবান হচ্ছেন।” তিনি জানান, চলতি মৌসুমে এই উপজেলায় ৮৫০ হেক্টর জমিতে ফুলকপিসহ অন্যান্য শীতকালীন সবজির আবাদ হয়েছে এবং কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের সব ধরনের কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
























