
ফসল ডেস্ক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: কৃষি খাতে উদ্যোক্তা সৃষ্টির পাশাপাশি বাণিজ্যিক জৈবকৃষি খামার স্থাপন ও উচ্চমূল্যের ফসল চাষ বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের নতুন যোগ দেয়া ভারপ্রাপ্ত সচিব মো.নাসিরুজ্জামান।
সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলায় কৃষি মন্ত্রণালয়াধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়ের সময়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
এ সময়ে সচিব নাসিরুজ্জামান জৈব ফসলের বিশ্বব্যাপী চাহিদার কথা উল্লেখ করেস। উদাহরণ হিসেবে প্রান্তিক পর্যায়ে গ্রামীন নারীদের দ্বারা কেঁচো কম্পোষ্ট সার উৎপদন এবং জিগা বা কাফিলা গাছে গোলমরিচ চাষ প্রযুক্তির কথা তুলে ধরেন তিনি।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব বলেন, কৃষিই হলো আমাদের কৃষ্টির মূল। তাই খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জনের উদ্দেশ্যে দেশের সর্বস্তরের কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে অবগতকরণ সে সাথে কৃষিবান্ধব সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি মাঠ পর্যায়ে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
এছাড়াও সব রকম ফসলের আধুনিক ও সর্বশেষ জাত সমূহের চাষ বৃদ্ধির ব্যাপারে তিনি উপস্থিত কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন। সফরকালে তিনি আশুগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি স্থানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত কৃষি প্রদর্শনী পরিদর্শন ও উন্মুক্ত পথসভায় স্থানীয় কৃষক গ্রুপের সাথে মতবিনিময় করেন।
তিনি কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন ও পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে তিনি আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুত কেন্দ্র ও আশুগঞ্জ সার কারখানা পরিদর্শন করেন।
গত ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষিবিদ মো. জাহেদুল হক, অতিরিক্ত পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা অঞ্চল, কুমিল্লা। সভায় কৃষিবিদ মো. আবু নাছের, উপপরিচালক, ডিএই, ব্রাহ্মণবাড়িয়া তার জেলার চলমান কার্যক্রম পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ অমিতাভ দাস, মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা, কৃষিবিদ ড. মো. আব্দুল মুঈদ, পরিচালক সরেজমিন উইং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা ও কৃষিবিদ মো. আসিফ ইকবাল, আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার, কুমিল্লা। সচিব’র সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন শেখ বদিউল আলম, উপপ্রধান, কৃষি মন্ত্রণালয়, ঢাকা। সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
























