
নিজস্ব প্রতিবেদক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: করোনা মহামারিতে ধস নেমেছে ডেইরি শিল্পে। খামারিদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে প্রণোদনা সহায়তা। এখন পর্যন্ত দুধের ভালো দাম না থাকায় বিপাকে খামারিরা। এ নিয়ে খামারি পর্যায়ে দুধের দাম বাড়ানোর বিষয়ে সুপারিশ করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
একইসাথে আমদানি করা গুঁড়া দুধের গুণগত মান নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে।গত রোববার কমিটির বৈঠকে এমন সুপারিশ করা হয়।
কমিটির সভাপতি খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, গুঁড়া দুধের মান খুবই খারাপ। কোন চর্বি নাই। ওই দুধ যদি পানিতে মেশানো হয় তাহলে মানসম্মত দুধ হবে না। গুণগত মানের দুধ যাতে আমদানি করা হয়, বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। যদি মান খারাপ হয় তাহলে আমরা আমদানির ক্ষেত্রে আপত্তি জানাব।
তিনি বলেন, গ্রাম পর্যায়ে খামারিরা দুধের জন্য গরু লালন-পালন করেন। দুধের দাম যাতে বাড়ানো হয়, সে জন্য সমবায়কে নির্দেশনা দিয়েছি আমরা।
সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গুঁড়া দুধ আমদানির ক্ষেত্রে গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে কমিটি।
কমিটির সভাপতি বলেন, দেশে মানসম্মত দুধ প্রাপ্তির জন্য সমবায়ের ভিত্তিতে বাড়ি বাড়ি গরুর খামার স্থাপন এবং খামারিদের কথা বিবেচনায় এনে তাদের কাছ থেকে দুধ সংগ্রহের ক্ষেত্রে বেশি দামের বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
এ ছাড়া, সমবায় অধিদফতরের নিবন্ধনকৃত অকার্যকর সমিতি, যেসব সমবায় সমিতি নিয়মিত অডিট সম্পন্ন করছে না বা যেগুলোর মধ্যে অব্যবস্থাপনা পরিলক্ষিত হচ্ছে, সেসব সমবায় সমিতির তালিকা পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
কমিটির সভাপতি খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য স্থানীয় সরকারের মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, মসিউর রহমান রাঙা, শেখ আফিল উদ্দিন, রেবেকা মমিন ও আব্দুস সালাম মুর্শেদী।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দেশের খামারিরা দুধের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় খামার থেকে অনেকেই মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। এ সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে ডেইরি খাতে অনেব বড় সম্ভাবনা দেখা দিবে। তরুণেরা আরও ডেইরি খামারের দিকে ঝুঁকবে। পাশাপাশি গুড়া দুধের আমদানি নির্ভরতাও কমবে।
নিচের লিঙ্কে দুধ, মাংস, ডিমসহ বিভিন্ন বিষয়ের গত কয়েক বছরের উৎপাদনের হিসাব আছে। সেখান থেকে দুধের তথ্যটাও যোগ করে দিতে পারেন। পাশাপাশি প্রতিটি আইটেম ধরে ধরে বিশেষ প্রতিবেদন করতে পারেন।
এগ্রিকেয়ার/এমএইচ
























