
নিজস্ব প্রতিবেদক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: রোজার শুরুতেই বেগুনের দাম এক লাফে পৌঁছে গেছে ১০০ টাকায়। মুখরোচক বেগুনি বাঙালির ইফতার আয়োজনের অন্যতম অনুসঙ্গ। ফলে রোজা এলে বেগুনের কদর প্রতিবছরই বেড়ে যায়, ব্যবসায়ীরা সে সুযোগ নিতে সংযম দেখান না খুব একটা।
রোববার প্রথম রোজার সকালে মালিবাগ রেলগেইট, শান্তিনগর, সেগুনবাগিচার বাজার ঘুরে দেখা গেল খুচরা বিক্রেতারা প্রতি কেজি বেগুন ১০০ টাকায় বিক্রি করছেন। দুদিন আগেও বেগুন বিক্রি হয়েছে ৬০-৭০ টাকায়। আর এক সপ্তাহ আগে ছিল ৫০ টাকা।
কারওয়ান বাজারের পাইকারী বিক্রেতা হামিদুল্লাহ বললেন, “রমজানে বেগুনের চাহিদা বেশি থাকে, তাই দামও বেশি পায়। চাহিদার কারণে এই সময়ে প্রচুর বেগুন আসে মফস্বল থেকে।”
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, শনিবার রাতে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলা এবং ময়মনসিংহ থেকে বেগুন নিয়ে কারওয়ান বাজারে এসেছে অন্তত আটটি ট্রাক। সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সরবারহ করা হয়েছে সেই বেগুন।
বেইলি রোডের বাসিন্দা আয়শা বেগম শান্তিনগর বাজারে বেগুন কিনতে এসে দাম শুনে থ! বললেন, “দুই আগে আমি এই দোকান থেকেই বেগুন কিনেছি ৬৫ টাকা কেজিতে। আর আজকে এসে কিনতে হচ্ছে ১০০ টাকায়। না কিনেও উপায় নেই। ইফতারির জন্য আমার বেগুন লাগবেই।”
এ মৌসুমে বাজারে লম্বা ও গোল দুই ধরনের বেগুনই আছে। তবে বেগুনি বানাতে লম্বা বেগুন কাটতে সুবিধা। তাই বাজারে গাইবান্ধা, ময়মনসিংহ থেকে আসা লম্বা বেগুনের চাহিদা বেশি।
বাজারে বেগুনের পাশাপাশি কলার দামও বাড়তি। সবরি, সাগর, চাঁপা কলা- সবগুলোরই দাম হালিতে ৫ টাকা থেকে ১০ টাকা বেড়েছে।
মালিবাগ বাজারের বিক্রেতা হাফিজ মিয়া জানান, রোজায় কলার চাহিদা বেশি থাকে বলে দাম ‘একটু’ বাড়তি। তবে ৩/৪ দিন পর এটা কমে যাবে।
বাসাবাড়ির পাশাপাশি রেঁস্তোরা ও খাবারের দোকানেও প্রচুর বেগুন দরকার হয় এ সময়। বিকাল থেকে দোকানের সামনে টেবিল বসিয়ে বিক্রি হবে হরেক রকমের ইফতার সামগ্রী। এর মধ্যে বেগুনিও থাকবে।
বেইলি রোডের একটি রেঁস্তোরার সহকারী ব্যবস্থাপক মোত্তালেব হোসেন বলেন, “বিভিন্ন জায়গায় আমরা অর্ডার সরবারহ করি। আজকে চারটি প্রতিষ্ঠানে আমরা ইফতার সামগ্রীর প্যাকেট যাবে। অন্যান্য খাবারের সাথে দুটো করে বেগুনিও থাকবে।”
এগ্রিকেয়ার/এমএইচ
























