
রাজেকুল ইসলাম, রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: বিগত বছরে পাটের ভাল ফলন ও দাম আশানুরুপ পাওয়ায় চাষিরা অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি পাট চাষের দিকে আগ্রহী হয়েছে। এবারও নওগাঁর রাণীনগরে পাটের দামে খুশি চাষিরা।
রাণীনগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে মেস্তা, দেশী ও তোষা জাতের প্রায় ১০০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। বিগত বছরে পাটের ভাল ফলন ও দাম আশানুরুপ পাওয়ায় চাষিরা অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি পাট চাষের দিকে আগ্রহী হয়ে উঠছে। ফলন ও দাম ভাল পেলে চাষিদের আগ্রহ আরো দিনদিন বৃদ্ধি পাবে এমনটায় আশা করছেন স্থানীয় কৃষি বিভাগ। প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ১৫ মন পর্যন্ত পাট উৎপাদন হয়। তবে চাষিদের কৃষি অফিসের পরামর্শে পাট জাগ না দেওয়ায় সনাতন পদ্ধতিতে পাট জাগ দেওয়ার কারণে পাটের রং কালো ও গুনগত মান কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে মৎস্য ও মাৎস্য কুলের ব্যাপক ক্ষতিসহ পরিবেশ হুমকির মধ্যে পড়ছে।
জানা গেছে, মান ভেদে প্রতি মন কাচা পাট ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা মধ্যে স্থানীয় বাজারে বেচা-কেনা হচ্ছে। কৃষকেরা প্রশিক্ষিত না হওয়ায় সনাতন পদ্ধতিতে পাটের আঁশ ছড়ানোর কারণে গুনগত মান কমে যাওয়া ফলে নায্য থেকে বঞ্চিত হয়।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম জানান, পাটের বাজার কম থাকাই এই ফসলের প্রতি চাষিদের আগ্রহ কমে গিয়েছিল। তবে পরিবেশ বান্ধব পাটের মোড়ক বহুবিদ ব্যবহার করায় বর্তমানে পাটের উৎপাদন ও বাজার দর ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করায় প্রান্তিক পর্যায়ে চাষিদের পাট চাষের আগ্রহ অনেকটায় বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু পাট জাগ পদ্ধতি বিষয়ে কৃষকরা রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাট দিতে নারাজ। সনাতন পদ্ধতিতে পাট জাগ দেওয়ায় গুনগত মান খারাপ হওয়ার কারণে চাষিরা নায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এগ্রিকেয়ার/এমএইচ
























