
উত্তরের কৃষকের ঘর ও আঙিনা ভরেছে লাল রঙের মরিচে। এ ফসল অবদান রাখছে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিতে। রংপুর-দিনাজপুর কৃষি অঞ্চলে দেড় দশক ধরে বাণিজ্যিকভাবে লাল মরিচ চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন কৃষকরা। চাহিদা থাকায় প্রত্যেক বছরই চাষ বাড়ছে। মসলা জাতীয় এই ফসলে আর্থিক দৈন্যতা কেটেছে বহু প্রান্তিক কৃষকের। তবে এবছর বাজার মন্দা, দিশেহারা কৃষকরা।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, উত্তরের তৃতীয় অর্থকরী এ ফসলের দিকে নজর দিলে সরকারের আমদানি নির্ভরতা কমবে।
পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সারাদেশে এক লাখ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের মরিচ চাষ হয়েছে। উৎপাদন সাড়ে ৮ লাখ টন। এর মধ্যে উত্তরে ৭শ’ হেক্টরে উৎপাদন হয়েছে ১৫শ’ টন লাল মরিচ।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, উত্তরের তৃতীয় অর্থকরী এ ফসলের দিকে নজর দিলে সরকারের আমদানি নির্ভরতা কমবে।
পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সারাদেশে এক লাখ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের মরিচ চাষ হয়েছে। উৎপাদন সাড়ে ৮ লাখ টন। এর মধ্যে উত্তরে ৭শ’ হেক্টরে উৎপাদন হয়েছে ১৫শ’ টন লাল মরিচ।
























