ডেস্ক প্রতিবেদন, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: শসা দ্রুত বর্ধনশীল ও ফলনশীল সবজি। নিয়মিত পরিচর্যা, মাচার সঠিক ব্যবস্থা এবং জৈব সার ব্যবহারের মাধ্যমে গাছ সুস্থ থাকে, মাটির উর্বরতা বাড়ে এবং ফলন হয় বেশি ও নিরাপদ। প্রকৃতিবান্ধব পদ্ধতিতে চাষ করলে দীর্ঘমেয়াদে জমির গুণাগুণও বজায় থাকে।

জৈব সার প্রয়োগ পদ্ধতি

গোবর সার:  ভালোভাবে পচানো গোবর জমি তৈরির সময় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে হবে। এতে মাটির গঠন উন্নত হয় এবং উর্বরতা বাড়ে।

ভার্মি কম্পোস্ট: প্রতি গাছের গোড়ায় ২০০–৩০০ গ্রাম করে প্রয়োগ করা যায়। ফুল ও ফল ধরাতে এটি কার্যকর।

কম্পোস্ট সার: রান্নাঘরের জৈব বর্জ্য থেকে তৈরি কম্পোস্ট মাসে একবার ব্যবহার করলে মাটির জৈব উপাদান বাড়ে।

সরিষার খৈল ভেজানো পানি: ১ কেজি খৈল ১০ লিটার পানিতে ২–৩ দিন ভিজিয়ে রেখে পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিতে হবে। এটি গাছের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

হাড়ের গুঁড়া: ফুল ও ফল বৃদ্ধির জন্য অল্প পরিমাণে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া যায়।

জৈব তরল সার (জীবাণু সার): প্রতি ১৫ দিন পরপর স্প্রে বা গোড়ায় প্রয়োগ করলে গাছ সতেজ থাকে ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে।

মালচিং (খড় বা পাতা): মাটির ওপরে শুকনো খড় বা পাতা বিছিয়ে দিলে মাটির আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং ধীরে ধীরে জৈব উপাদান যোগ হয়।