মেহেদী হাসান, জেলা প্রতিনিধি, রাজশাহী, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: রাজশাহীর নাটোর জেলার চলনবিল অঞ্চলে আগাম জাতের ইরি-বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এই ধান কাটা মৌসুমে প্রতিটি গ্রামেই আগমন ঘটছে বিভিন্ন জেলার শ্রমিক দল। বর্তমান করোনা ভাইরাস বিস্তার প্রতিরোধে এই শ্রমিকদের গ্রামে ঢুকতেই নেওয়া হচ্ছে বিশেষ ব্যবস্থা। তাঁদের শরীরে জীবানুনাশক স্প্রে করে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে গ্রামে। এর পর তাঁদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ ভাইরাস রোধের নানা উপকরন। উপজেলার মডেল গ্রাম নামে খ্যাত হুলহুলিয়া গ্রামবাসী ধান কাটার শ্রমিকদের নিয়ে এই ব্যতিক্রম উদ্যোগ নিয়েছেন ।

গতকাল সোমবার বিকালে একদল শ্রমিকদের গ্রামে প্রবেশের আগে তাদের গায়ে জীবানুনাশক স্প্রে করার মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রম শুর করা হয়। এর আগে বিশেষ প্রযোজন ছাড়া হুলহুলিয়া গ্রামে বাহিরের লোকজন প্রবেশ নিষেধ ছিল।

শ্রমিকদের গ্রামে প্রবেশ করা বিষয়ে জানতে চাইলে চৌগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শ্রীতেশ কুমার সাহা এগ্রিকেয়ার২৪.কম কে বলেন,‘করোনা প্রতিরোধে শ্রমিকদের গ্রামে ঢুকতেই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গ্রামে ঢুকতেই তাঁদের শরীরে জীবানুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার তাদের দেওয়া হচ্ছে।’

এবিষয়ে উপজেলার চৌগ্রাম ইউনিয়নের ১ নং ওর্য়াড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও হুলহুলিয়া সামাজিক উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পরশ তৌফিক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে এই মাহামারিতে সিংড়া চলনবিলে ধান কাটার সুব্যবস্থা করেছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী এড. জুনাইদ আহমেদ পলক।

প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের পরামর্শে ও স্থানীয় চৌগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম ভোলা ভাইয়ের সার্বিক সহযোগিতায় হুলহুলিয়া সামাজিক উন্নয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে প্রত্যায়ন গ্রহন সহ রেজিস্টার মেইনটেইন করে জীবানুনাশক স্প্রে করে ধান কাটার শ্রমিক সহ কৃষি কাজে অর্ন্তভুক্ত সবাইকে গ্রামের ভেতর প্রবেশ করানো হচ্ছে।