
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীতে হঠাৎ কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে ডাবল সেঞ্চুরি হয়েছে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ মাত্র ৪ দিন আগেই ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে এই মসলা জাতীয় সবজি।
আজ শনিবার নগরীর মাস্টারপাড়া সাহেববাজার এলাকায় পাইকারিতে ১৬০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি হতে দেখা গেছে।
গতকাল শুক্রবারও জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাজারে কম দামে বিক্রি হয়েছে। মোহনপুর উপজেলার মৌগাছি বাজারে ১২৫ টাকা, পবা উপজেলা প্রতিনিধি জানায় সেখানে ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে কাঁচা মরিচ, এছাড়াও চারঘাটে ১২০, গোদাগাড়ীতে ১৪৫-১৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। হঠাৎ কাঁচা মরিচের দাম বাড়ার কারন হিসেবে ভারী বর্ষণকেই দায়ী করছেন বিক্রিতারা।
রাজশাহীর সবচেয়ে বড় মরিচের পাইকারি বাজার বসে পবা উপজেলার খড়খড়ি বাইপাসে। রাস্তার দুই পাশে আড়তদারেরা কাঁচা মরিচের স্তূপ সাজিয়ে রাখেন। ব্যবসায়ীরা জানান, সেখানে প্রতিদিন দেড় থেকে তিন হাজার মণ কাঁচা মরিচ কেনাবেচা হয়। সেখানকার মরিচ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন মোকামে যায়। গতকাল এই পাইকারি বাজারে ১৩০ থেকে ১৩২ টাকা কেজি দরে মরিচ কেনাবেচা হয়েছে।
মরিচ ব্যবসায়ী সামছুল ইসলাম এগ্রিকেয়ার১২৪.কমকে বলেন, বৃষ্টি হলে মরিচের গোড়া পঁচে যায়। আর গাছ মরে যাওয়ার কারণে আমদানি কম। এজন্য দাম বেশি। আরো বাড়তে পারে।
পবা উপজেলার মাড়িয়ার মরিচ চাষী হেলাল জানান, দশ কাঠা জমিতে মরিচ ছিল বৃষ্টির কারণে গাছ মরে গেছে। এভাবে মরিচ গাছ ঢলে পড়ে মারা যাওয়ার কারনেই মরিচের দাম বাড়ে।
রাজশাহী জেলা কৃৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কে জে এম আবদুল আউয়াল এগ্রিকেয়ার২৪.কমকে বলেন, কদিন আগেও মরিচ ২০-২৫ টাকা কেজি ছিল। বৃষ্টির কারনে ১০০ টাকা বা তারও বেশি দাম হয়ে গেছে। বৃষ্টি হলে মরিচ গাছের উইল্ট হয়ে মারা যায়। এজন্য উঁচু পানি নিস্কাসন হয় এমন জমিতে মরিচ চাষ করতে হবে।
এগ্রিকেয়ার/এমএইচ
























