
অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: রফতানি কমার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ চাল রফতানিকারক দেশ থাইল্যান্ডের।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো নভেল করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ডেল্টার আঘাতে বিপর্যস্ত। এ কারণে অঞ্চলটিতে থাইল্যান্ডের চালের চাহিদা কমে গেছে। সেই প্রভাবে ২০২১-২২ বিপণন মৌসুমে দেশটির চাল রফতানি ১৩ শতাংশেরও নিচে নেমে যেতে পারে বলে জানিয়ে্ছে মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচাল সার্ভিসের গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক।
প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, উচ্চমাত্রার পরিবহন ব্যয় ও পণ্যবাহী জাহাজের কনটেইনার সংকট থাইল্যান্ডের চাল রফতানি খাতকে সংকোচনের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। চলতি মৌসুমে কৃষিপণ্যটির রফতানি ৬২ লাখ টন থেকে কমে ৫৮ লাখ টনে নেমে আসতে পারে।
এদিকে শুধু রফতানি নয়, করোনাভাইরাসের নতুন ঢেউ কৃষিপণ্যটির উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ধান আবাদ ও মিলগুলোতে চাল উৎপাদনের ক্ষেত্রে শ্রমিক সংকট এখন প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে ২০২১-২২ মৌসুমে থাইল্যান্ডে চাল উৎপাদন এর আগের মৌসুমের তুলনায় ১১ শতাংশ বেড়ে ২ কোটি ১০ লাখ টনে পৌঁছানোর পূর্বাভাসও দিয়েছে ইউএসডিএ।
ইউএসডিএ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে চাল রফতানির ক্ষেত্রে কভিড-১৯ মহামারীর আগের তুলনায় বর্তমানে পাঁচগুণ বেশি জাহাজীকরণ ব্যয় গুনতে হচ্ছে থাইল্যান্ডকে। বহুমুখী সংকটের কারণে চলতি বছরের জুলাইয়ে দেশটির রফতানিকারকরা চাল রফতানির জন্য করা সবগুলো চুক্তির মাত্র ৬০ শতাংশ সরবরাহ করতে সক্ষম হয়। এদিকে বছরের একই সময়ে সিঙ্গাপুরেও চাল রফতানি নিম্নমুখী ছিল। গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় দেশটিতে চাল রফতানি কমেছে ৫২ শতাংশ।
এগ্রিকেয়ার/এমএইচ
























