নিজস্ব প্রতিবেদক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: সুনামগঞ্জে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় দ্বিতীয় দফা বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সেইসাথে দেশের প্রধান প্রধান নদীর পানি বাড়ছে এবং তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।

এসব তথ্য এগ্রিকেয়ার২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া।

মো: আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া জানান, আগামী ২৪ ঘন্টায় লালমনিরহাট, নীলফামারি, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার কতিপয় অঞ্চলে স্বল্প মেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের প্রধান প্রধান নদীগুলোর মধ্যে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, গঙ্গা, পদ্মা, কুশিয়ারা, ধরলা, কুশিয়ারা ও দুধকুমারসহ নদীসমূহের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে।

অন্যদিকে আগামী ২৪ ঘন্টায় পূর্বাঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার বন্য পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে।

প্রকৌশলী বিস্তারিত জানান, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী সমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপরদিকে গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে আগামী ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত অব্যাহত রাখতে পারে। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আপার মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদ-নদীসমূহের পানি সমতলে হ্রাস পাচ্ছে। যা আগামী ৪৮ ঘন্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, সুনামগঞ্জ জেলা সদরের সঙ্গে ছাতক, জামালগঞ্জ, বিশ্বম্ভরপুর ও তাহিরপুরের যোগাযোগ বিছিন্ন রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) সুরমা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৪৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়া, জেলার পানি বৃদ্ধি পেয়ে ইতোমধ্যে সুনামগঞ্জ সদর, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, দোয়ারা বাজার, ছাতক, জামালগঞ্জ, শান্তিগঞ্জসহ ৭ উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। ফলে মানুষের বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা প্লাবিত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বন্যা কবলিত মানুষরা।

এগ্রিকেয়ার/এমএইচ