
ডেস্ক প্রতিবেদন, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নীলফামারীর আলু চাষিরা। গত বছরের ভালো দামে বিক্রি করায় এবারও আশায় বুক বেঁধেছে কিশোরগঞ্জ উপজেলা ও নীলফামারী সদরের আলু চাষিরা। মৌসুমের শুরুতেই আলু বাজারে তুলতে পারলে ভালো দাম পাওয়া যাবে এমন আশা তাদের।
এদিকে, ভালো দামের আশায় কৃষকরা শীতের আগেই মাঠজুড়ে আগাম জাতের আলু রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আউশ ও আগাম আমন কাটার পর সেই জমিতেই জমি প্রস্তুত, সার প্রয়োগ করে হিমাগার থেকে আনা বীজ রোপণ করছেন তারা। কৃষিনির্ভর এ জেলায় বিশেষ করে কিশোরগঞ্জ উপজেলা আগাম আলুর জন্য পরিচিত। স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় ‘সেভেন’ জাতের আলু ৫০–৬০ দিনে তোলা যায়, আর বাজারে এর চাহিদা ও দাম দুটোই বেশি থাকায় কৃষকের আগ্রহও বাড়ছে।
আলু শীতকালীন ফসল হলেও জলবায়ুর অস্থিরতা এখন চাষিদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরতে শীতের আমেজ শুরু হলেও দিনের বেলায় তীব্র গরমে আলু দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ ছাড়া মৌসুমে অকাল বৃষ্টিপাত হলে ফসল নষ্ট হয়ে নতুন করে একই জমিতে আলু রোপণ করতে হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যমতে, জেলার এবার ৮ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম জাতের আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে তিন হেক্টর জমিতে রোপণ করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম বলেন, চলতি মৌসুমে ৩ হাজার ৪৩০ হেক্টর জমিতে আগাম আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষকরা এখন আলু চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। উঁচু জমিতে আলুচাষের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষকদের।
























