
ডেস্ক প্রতিবেদন, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা এবং উৎপাদন খরচ কমাতে খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ‘সবুজ সার’ হিসেবে ধৈঞ্চা গাছের ব্যবহার। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় এই পরিবেশবান্ধব ও পুরোনো পদ্ধতিটি নতুন করে করে রোপা আমন ধানের চাষে ব্যাপক সাফল্য পাচ্ছেন কৃষকরা।
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার শুড়িখালী গ্রামের কৃষক মো. শাহজাহান হোসেন জানান, তিনি এ বছর বোরো ধান কাটার পর তার ৭০ শতাংশ জমিতে ধৈঞ্চার বীজ বপন করেন। গাছগুলো প্রায় ৪৫ দিন পর বড় হলে তিনি সেগুলোসহ জমিতে চাষ দিয়ে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেন। এরপর তিনি কোনো ধরনের রাসায়নিক সার ছাড়াই রোপা আমন ধান চাষ করেন।
শাহজাহান হোসেন বলেন, “সবুজ সার ব্যবহার করায় আমার জমিতে কোনো রাসায়নিক সারের প্রয়োজন হয়নি, কিন্তু ধানের ফলন বেশ ভালো হয়েছে। এতে আমার প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা সাশ্রয় হয়েছে।” তার সাফল্য দেখে পার্শ্ববর্তী গ্রামের কৃষক আব্দুল হামিদ ও হারুন-উর-রশিদও এই পদ্ধতি গ্রহণ করে ভালো ফল পেয়েছেন।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধৈঞ্চা গাছ মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং প্রাকৃতিক নাইট্রোজেন সরবরাহ করে, যা ইউরিয়া সারের একটি চমৎকার বিকল্প। কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, এক হেক্টর জমির ধৈঞ্চা গাছ মাটিতে ৬০ থেকে ৮০ কেজি পর্যন্ত নাইট্রোজেন যোগ করতে পারে।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জীবনানন্দ রায় বলেন, “লবণাক্ততা এবং অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে এই অঞ্চলের মাটির উর্বরতা কমে যাচ্ছে। তাই আমরা কৃষকদের ধৈঞ্চা চাষে উৎসাহিত করছি।”কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছর খুলনা অঞ্চলের চার জেলায় প্রায় ৪৭৪ হেক্টর জমিতে সবুজ সার হিসেবে ধৈঞ্চা চাষ করা হয়েছে, যা টেকসই কৃষি উন্নয়নে
























