
নিজস্ব প্রতিবেদক, এ্রগ্রিকেয়ার২৪.কম: চুয়াডাঙ্গায় ভয়াবহ শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন আকারের শিলায় সাময়িক সময়ের জন্য ঢেকে যায় মাটি। চুয়াডাঙ্গায় এমন শিলাবৃষ্টি এর আগে কেউ দেখেননি বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।
পরে জেলায় শিলাবৃষ্টি থামলেও দীর্ঘ সময় ধরে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি অব্যাহত ছিল। সঙ্গে দমকা হাওয়া। এ সময় গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ে রাস্তায়। স্বাভাবিক যান চলাচলেও ব্যাঘাত ঘটে। হঠাৎ এমন শিলা ও ঝোড়ো বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফসলের খেত। প্রচুর লোকসানের আশঙ্কা কৃষকদের। এর আগেও গত বৃহস্পতিবার রাতে এক ঘণ্টার ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ভুট্টা, ধান পানসহ বিভিন্ন উঠতি ফসল।
চুয়াডাঙ্গায় এমন শিলাবৃষ্টি এর আগে দেখননি বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক সামাদুল হক জানান, ১৮ মিনিট ধরে চলে ঝড়ো ও শিলা বৃষ্টি। গুড়ি গুড়ি থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। সাথে দমকা হাওয়ার গতিবেগ ছিল প্রতিঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার।
হঠাৎ এমন শিলা ও ঝড়ো বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফসলের ক্ষেত। প্রচুর লোকসানের আশঙ্কা কৃষকদের। এর আগেও গত বৃহস্পতিবার রাতে এক ঘণ্টার ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ভুট্টা, ধান পানসহ বিভিন্ন উঠতি ফসল।
শিলাবৃষ্টি কাকে বলে কেন হয়
প্রতিবছর বৈশাখে আমাদের দেশে প্রচণ্ড গরম পড়ে। তখন বাতাসে এ ধরনের ঊর্ধ্বমুখী চাপ সৃষ্টি হয় এবং সে কারণেই এ সময় কালবৈশাখী হয়। কিন্তু এই ঝড়ের সময় শিলাবৃষ্টি হওয়ার একটি বিশেষ কারণ আছে। বৃষ্টির ফোঁটাগুলো পড়ার সময় প্রায় সময়ই মাঝপথে বাতাসের ঊর্ধ্বমুখী চাপের মধ্যে পড়ে।
ফলে বৃষ্টির ফোঁটাগুলো নিচে নামতে নামতে তার কিছু অংশ আবার ওপরে উঠতে শুরু করে এবং আরও ঠান্ডা হতে থাকে। ঘনীভূত পানির ফোঁটাগুলো আরও ভারী হয়ে আবার নিচে নামতে থাকে এবং হয়তো আবার গরম বাতাসের ঊর্ধ্বমুখী চাপে পড়ে তার কিছু অংশ আবার ওপরে উঠতে থাকে।
শিলা বৃষ্টি হওয়ার কারণ
এ রকম কয়েকবার ওঠা-নামা করতে করতে পানির ফোঁটাগুলোর কিছু অংশ ছোট ছোট বরফখণ্ডে পরিণত হয়। এগুলো বেশি ভারী বলে আর ওপরে উঠতে পারে না। বৃষ্টির ধারার সঙ্গে নিচে নেমে আসে। এটাই শিলাবৃষ্টি।
শিলাবৃষ্টির প্রধান শর্ত প্রচণ্ড গরম। আমাদের দেশে বৈশাখ মাসে এ রকম গরম পড়ে। ফলে কালবৈশাখী নামে পরিচিত ঝড়ের সময় শিলাবৃষ্টি হয়।
এগ্রিকেয়ার/এমএইচ
























