
নিজস্ব প্রতিবেদক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: চাহিদার বিপরীতে দেশে সব রকমের সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। বর্তমানে (১৮ আগস্ট) ইউরিয়া সারের মজুদ ৬ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন, টিএসপি ৩ লাখ ৯৪ হাজার টন, ডিএপি ৭ লাখ ৩৬ হাজার টন, এমওপি ২ লাখ ৭৩ হাজার টন।
এসব তথ্য এগ্রিকেয়ার২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো: কামরুল ইসলাম ভূইয়া।
বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায়ও সারের বর্তমান মজুদ বেশি। বিগত বছরে এই সময়ে ইউরিয়া সারের মজুদ ছিল ৬ লাখ ১৭ হাজার মেট্রিক টন, টিএসপি ২ লাখ ২৭ হাজার টন, ডিএপি ৫ লাখ ১৭ হাজার টন।
সারের বর্তমান মজুদের বিপরীতে আগস্ট মাসে সারের চাহিদা হলো ইউরিয়া ২ লাখ ৫১ হাজার টন, টিএসপি ৪৭ হাজার টন, ডিএপি ৮১ হাজার টন, এমওপি ৫২ হাজার টন।
পড়তে পারেন: তেল ও সারের দাম বৃদ্ধি; কৃষিতে দীর্ঘ মেয়াদী প্রভাবের শঙ্কা
কৃত্রিমভাবে যাতে কেউ সারের সংকট তৈরি করতে না পারে এবং দাম বেশি নিতে না পারে- সে বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয় ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিবিড় তদারকি করছে। কৃত্রিম সংকটকারীদেরকে শাস্তির আওতায় আনার কার্যক্রম অব্যাহত আছে।
এদিকে বগুড়া জেলাতেও সব রকমের সারের মজুদ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি রয়েছে। আজ (১৮ আগস্ট) ইউরিয়া সারের মজুদ ১৬৭৩ মেট্রিক টন, টিএসপি ৬৮৯ টন, ডিএপি ১৪০০ টন এবং এমওপি ৪৪৪ টন।
দেশের অন্যতম বৃহৎ সার কারখানা চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডে (সিইউএফএল) একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, গ্যাসের অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাটিতে এই মুহূর্তে এক লাখ দুই হাজার মেট্রিক টন সার মজুদ আছে। এর মধ্যে বাল্ক হিসেবে ৭৮ হাজার মেট্রিক টন এবং বস্তাবন্দি অবস্থায় আছে আরো ২৪ হাজার মেট্রিক টন সার।
পড়তে পারেন: ইউরিয়া সারের কেজিতে বাড়লো ৬ টাকা
এই মজুদ দিয়ে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো যাবে বলে সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। তবে এই সার বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় কৃষি মন্ত্রণালয়। তারাই ঠিক করে দেয় দেশের কোন অঞ্চলে কবে কতটুকু সার সরবরাহ করতে হবে।
কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত সারের মজুদ রয়েছে। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করলে সংশ্লিষ্টদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।’
তিনি বলেন, দেশের কোথাও যাতে কেউ সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে— আমরা নিবিড়ভাবে মনিটর করছি। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করলে সংশ্লিষ্টদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে। চাহিদার বিপরীতে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি, এমওপিসহ সব ধরণের সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।
এগ্রিকেয়ার/এমএইচ
























