
এইও মতিয়র রহমান, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: বারি গম-৩৩ বপন করার ১১৭দিন পর কেটে ফলন পাওয়া গেছে বিঘায় ১৭ মণ ১৪ কেজি। গম বপনের সময় বিঘায় ২০কেজি বীজ ব্যবহার করা হয়। হেক্টরে ৫.২ মেট্রিকটন ফলন পাওয়া গেছে।
১১.৩% আর্দ্রতায় বীজ সংরক্ষণ করা হয়েছে। খুবজীপুর গমবীজ উৎপাদনকারী কৃষক গ্রুপ এবার ১৮০কেজি বারি-৩৩ গম বীজ সংরক্ষণ করেছে।
পারিপার্শ্বিক অবস্থা হিসেবে একই মাঠে বারি-২৪, ২৬ সহ স্থানীয় অনেক জাত আছে যেখানে ফলন পাওয়া গেছে বিঘায় ১২-১৩ মণ।
বীজ উৎপাদন প্রদর্শনী প্লটের চারিদিকে ব্লাস্টের আক্রমণ ছিল। অথচ বারি গম-৩৩ এ ব্লাস্টের আক্রমণ হয়নি। যা দেখে স্থানীয় কৃষক অনেকটা আশ্চর্য হয়েছে এবং তাদের মধ্যে এই ৩৩ জাতের গম নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। বারি-৩৩ এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং ফলন দেখে তারা বেশ অবাক হয়েছে।
বারি-৩৩ এর গমের গাছের রঙ গাঢ় সবুজ ও বৃদ্ধি বেশ ভালো হলেও কুশি কিছুটা গম হয়। আমাদের বীজের হার ছিল বিঘা প্রতি ২০ কেজি। বারি-৩৩ গম চাষাবাদ করলে বীজের হার আরও বেশি দেওয়া ভালো। এতে ফলন আরও বৃদ্ধি পাবে। আমরা বিঘা প্রতি ২৫ কেজি দিলে হয়তো আরও অনেক বেশি ফলন পেতাম।
আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে ধান, গম ও পাটবীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত এ কার্যক্রমের স্কুলের প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে অন্তর্ভূক্ত কৃষকগণ আধুনিক কৃষির জন্য আরোও দক্ষভাবে তৈরি হচ্ছেন। দক্ষ বীজ উদ্যোক্তা হিসেবে তাদের তৈরি করে দেশের বীজের বাজারে গুণগত মানসম্পন্ন বীজের যোগানের কাজে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভূমিকা অপরিসীম।
কৃষক মাঠ স্কুলের কার্যক্রম ও বীজ উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন জেলা বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির সম্মানিত জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার ড. মো. সাইফুল আলম স্যার।
এগ্রিকেয়ার/এমএইচ
























