
সজিবুল হৃদয়, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি: আব্দুল মোতালেব রায়হান (৪৫)। একজন সফল আত্মকর্মী ও সফল উদ্দোক্তা। নাটোরের লালপুর উপজেলায় গড়ে তুলেছেন সমন্বিত কৃষি খামার। যেখানে বছরজুড়ে বিভিন্ন প্রকার শাক-সবজি, ফলমূলের পাশাপাশি ফসল ও মাছ চাষ, গরুর খামারের মাধ্যমে নিজের ভাগ্য বদলেছেন তিনি। এখন এলাকায় তিনি একজন সফল কৃষক।
তার সফলতা দেখে অনেকেই এখন গড়ে তুলেছেন ছোট-বড় বেশ কয়েকটি সমন্বিত কৃষি খামার। যার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে এলাকার শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠীর। তার উদ্যোগ ও সাফল্যে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সমন্বিত কৃষি খামার। এর ফলে একদিকে যেমন শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে পাওয়া যাচ্ছে বিষমুক্ত নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য।
পড়তে পারেন: পাঙ্গাস চাষে কোটিপতি সিঙ্গাপুর ফেরত বেলায়েত
আব্দুল মোতালেব জানান, কৃষি ডিপ্লোমা শেষ করে নিজস্ব ১০ বিঘা জমিতে এমআর এগ্রো এন্ড ফিশারিজ নামে একটি কৃষি খামার প্রতিষ্ঠা করেন। শুরুতে একটি পুকুরে মাছ চাষ, ৬ টি গরু, পেয়ারা, কলা বাগান দিয়ে শুরু করলেও ২০১৪ সালে ৩ মাস মেয়াদী যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে যুব প্রশিক্ষণ নিয়ে নতুন উদ্যোমে ও বৃহত্তর পরিসরে এই কার্যক্রম শুরু করেন। বর্তমানে প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে তার এই প্রকল্প। এখান থেকে তার বার্ষিক গড় আয় প্রায় ১০/১২ লাখ টাকা।
তার প্রত্যাশা, দেশের শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্দোক্তা হিসেবে স্বাধীনভাবে কাজ করে নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নে সক্ষম হবে। এতে একদিকে যেমন বেকার সমস্যা কমে আসবে। তেমনি দেশের অর্থনীতি হবে শক্তিশালী।
এবিষয়ে লালপুর উপজেলার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা উমিরুল ইসলাম বলেন, রায়হান এ অঞ্চলের একজন যুব উদ্দোক্তা। তিনি যুব উন্নয়ন থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আজ সবার কাছে সফল আত্মকর্মী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে পেরেছেন। এসব সমন্বিত খামার হওয়াতে অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। তার সফলতায় অনেকেই এখন তাকে অনুসরণ করে নিজেদের ভাগ্য বদল করতে এগিয়ে আসছেন।
এগ্রিকেয়ার/এমএইচ
























