নিজস্ব প্রতিবেদক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: কিশোরগঞ্জের ভৈরবে সার কেলেঙ্কারির ঘটনায় বিএডিসির কর্মকর্তাসহ পাঁচজনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দুদকের করা মামলায় দুজন যাবজ্জীবন ও তিনজনকে অর্থদণ্ডসহ সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে মামলা চলা অবস্থায় দুই আসামি মারা যাওয়ায় মামলা থেকে অব্যাহতি দেয় আদালত

রোববার (২৪ জুলাই) বিকেলে ময়মনসিংহের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শাহাদত হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কিশোরগঞ্জ বিএডিসির সাবেক যুগ্ম-পরিচালক আহাদ আলী ও ভৈরবের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম। এছাড়াও সাত বছরের দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- নরসিংদীর হাজিপুর নয়াপাড়ার মৃত ফজলু মিয়ার ছেলে মো. হারিছুল হক, কিশোরগঞ্জ অষ্টগ্রাম বাঙ্গালপাড়ার মৃত চুনীলাল রায়ের ছেলে লিটন রায় ও নরসিংদীর বেলাবোর মো. মজিবুর রহমান খানের ছেলে সারোয়ারুল আলম সবুজ। অন্যদিকে অপর দুজন খোরশেদ আলম ও রতন মিয়া মৃত্যুবরণ করেছে।

দুদকের পিপি সঞ্জিব সরকার বলেন, ২০১৪ সালের ১৬ নভেম্বর কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মজুদকৃত সার না থাকায় বিএডিসির যুগ্ম-পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ শেখ বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে মামলাটি করেন।

এরপর ২০১৫ সালের ১০ জুলাই দুদক মামলাটি তদন্ত করে আসামিদের অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয়। এরপর মামলার দীর্ঘ শুনানিতে বিজ্ঞ আদালত ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় আসামি আহাদ আলীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক বলেন, আমরা ন্যায়বিচার বঞ্চিত হয়েছি। ন্যায় বিচারের জন্য আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব। রেজাউল করিমের শ্বশুর মো. ইউসুফ আলী বলেন, এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট না। এ রায়ের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।

এগ্রিকেয়ার/এমএইচ