চাষ ব্যবস্থাপনা ও করণীয় ডেস্ক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: নিয়ম মেনে আলু চাষে সঠিক পদ্ধতিতে সার প্রয়োগ এবং পরিচর্যা করলে বাম্পার ফলন পাওয়া যায়। সেই সাথে আলু চাষ করার জন্য নিদিষ্টকিছু সারও প্রয়োগ করতে হয়। অনেক চাষিই সার প্রয়োগের সঠিক নিয়ম না জেনে আলুতে সার প্রয়োগ করেন।এতে করে আলুর তেমন ভালো ফলন হয় না।

তবে আজ চলুন জেনে নেওয়া যাক আলু চাষে সার প্রয়োগমাত্রা ও পরিচর্যা সম্পর্কে:

সার প্রয়োগের নিয়ম: গোবর, অর্ধেক ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি, জিপসাম, ও জিংক সালফেট, (প্রয়োজন মোতাবেক) রোপণের সময় জমিতে মিশিয়ে দিতে হবে। বাকি ইউরিয়া রোপণের ৩০-৩৫ পর অর্থাৎ দ্বিতীয় বার মাটি তোলার সময় প্রয়োগ করতে হবে। অম্লীয় বেলে মাটির জন্য ৩৫০ গ্রাম/শতক ম্যাগনেশিয়াম সালফেট এবং বেলে মাটির জন্য বোরণ প্রতি শতকে ৩৫ গ্রাম প্রয়োগ করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: আলুর কালো দাগ ও অন্তর ফাঁপা রোগ দমনে করণীয়

সারের নামসারের পরিমাণ (গ্রাম/শতক)
ইউরিয়া১০০০
টিএসপি৫৩০
এমওপি৯৫০
জিপসাম৪৫০
জিংক সালফেট৩৫
ম্যাগনেসিয়াম সালফেট (অমৱীয় বেলে মাটির জন্য)৩৫০
বোরণ (বেলে মাটির জন্য)৩৫
গোবর৪০ কেজি

আরও পড়ুন: আলুর দাদ ও ঢলে পড়া রোগ দমনে করণীয়

পরিচর্যা: 
সেচ ও আগাছা ব্যবস্থাপনা: প্রথম দিতে হবে বীজ আলু রোপণের ২০-২৫ দিনের মধ্যে (স্টোলন বের হওয়ার সময়)।দ্বিতীয় সেচ দিতে হবে বীজ আলু বপনের ৪০-৪৫ দিনের মধ্যে (শুটি বের হওয়া পর্যন্ত)।  আর তৃতীয় সেচ দিতে হবে আলু বীজ বপনের ৬০- ৬৫ দিনের মধ্যে (শুটির বৃদ্ধি পায়)। দেশের উত্তরাঞ্চলে বেশি ফলন পেতে হলে ৮ থেকে ১০ দিন পর গোড়ায় মাটি দেওয়া প্রয়োজন।

আলু চাষে সার প্রয়োগ ও পরিচর্যা শিরোনামে লেখাটি কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

এগ্রিকেয়ার / এমবি