ডেস্ক প্রতিবেদন,এগ্রিকেয়ার২৪.কম: নভেল করোনাভাইরাস মহামারীতে আসন্ন ঈদে কোরবানির পশু কিনতে অনলাইনে ঝুঁকছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।প্রতি বছরের ন্যায় ধর্মীয় প্রথা অনুসরণে এবার অনলাইন বিক্রেতাদের কাছ থেকে পশু কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অনেকে। খবর এএফপি।

বিশ্বের প্রায় ৬০ কোটি মুসলমান অধ্যুষিত দক্ষিণ এশিয়ায় লাখো গরু ও বকরি বিক্রি হয়। কিন্তু মহামারীর প্রভাবে ভারত ও পাকিস্তানে গরুর হাট বন্ধ রাখা হয়েছে কিংবা সীমিত পরিসরে রাখা হচ্ছে। আগামী শনিবার প্রধান উৎসব সামনে রেখে অনেকেই তাই অনলাইন প্লাটফর্মের ওপর নির্ভর করছেন।

সাদ্দিদ হোসেন নামে এক যুবক বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, কভিড-১৯-এ আমাদের দুই চাচাকে হারানোয় আমরা দুঃখভারাক্রান্ত। এবার তাই গরুর বাজারে যেতে পারছি না। কিন্তু প্রতি বছরের ন্যায় ধর্মীয় প্রথা অনুসরণে এবার অনলাইন বিক্রেতাদের কাছ থেকে গরু কিনব।

গবাদিপশু বিক্রেতারাও বাজারে ভালো ক্রেতা না পেয়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইট, অ্যাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের পশু উপস্থাপন করছেন।

ফাহাদ জারিওয়ালা নামে ভারতের এক যুবক তার ইউটিউব চ্যানেলে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পশুর ভিডিও শেয়ার করেন। প্রায় আট লাখ অনুসারীর ইউটিউব চ্যানেলে চমত্কার চমত্কার নামের পশু বিক্রি করা হয়। মুম্বাইয়ে বসবাসকারী জারিওয়ালা বলেন, আমি সুন্দর গানসহ ধীরলয়ের ভিডিও তৈরি করি এবং ছাগলগুলোকে বিখ্যাত করে তুলি। প্রত্যেকটি পশুরই ভিন্ন ব্যক্তিত্ব রয়েছে। আমি তাদেরকে বলিউডের বিভিন্ন মুভি ও ট্রেন্ডি চরিত্রের নাম দিই।

অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক দর্শক তার ভিডিও দেখছেন, যেখানে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক দক্ষিণ এশীয় ডায়াসফোরা রয়েছে।

ভারতের কৃষকদের কাছ থেকে হাজারো ছাগল কিনে ক্রেতাদের কাছে বিক্রিকারী পশুবাজার নামে আরেকটি প্লাটফর্ম বলছে, গত বছর যেখানে কয়েক ডজন পশু বিক্রি হয়েছে, সেখানে গত তিন মাসে আড়াই হাজারেরও বেশি পশু বিক্রি হয়েছে।

কোরবানির পশু কিনতে অনলাইনে ঝুঁকছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা শিরোনামে সংবাদের তথ্য বণিক বার্তা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।