পুষ্টি ও স্বাস্থ্য বার্তা ডেস্ক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: আমরা জানি শরীরের জন্য প্রোটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস ডিম। চিকিৎসকরা প্রতিদিন ডিম খেতে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এটি যেমন উপকারি ঠিক তেমনি সমস্যাও করতে পারে। তাই জেনে নিন দিনে কতটি ডিম খাবেন!

ডিমের কিছু উপাদান:

ওজন নিয়ন্ত্রণে ডিম বেশ উপকারি। প্রোটিন ছাড়াও ডিমে রয়েছে ভিটামিন ৬, থিয়ামিন, আয়রন, জিঙ্ক, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ১২, ফলিক অ্যাসিড, পটাশিয়াম-ম্যাগনেশিয়াম-সোডিয়াম। আমাদের হাড়, চুল, চোখ, নখ সবকিছুই সুস্থ রাখতে সাহায্য করে ডিম। তবে বেশি পুষ্টি পাওয়ার জন্য দিনে অনেকগুলো ডিম খাওয়া যাবে কিনা এটি জানা প্রয়োজন।

ডিমে কতটুকু কোলেস্টেরল আছে:

বিশেষজ্ঞরা ডিমে বেশি কোলেস্টেরল থাকায় দিনে খুব বেশি ডিম না খাওয়ার পরামর্শ দেন। একটি ডিমে থাকে প্রায় দুইশো মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল। গবেষণায় জানা যায়, দিনে শরীরে সর্বোচ্চ তিনশো মিলিগ্রামের মতো কোলেস্টেরল গ্রহণ করা যায়। কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে তা ক্ষতিকর হতে পারে।

দিনে কতগুলো ডিম খাওয়া যাবে?

ডিমের নানা উপকারিতার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও রয়েছে। তাই এই প্রশ্ন সবার মনে জাগে যে, দিনে কতগুলো ডিম খাওয়া যাবে? সম্প্রতি গবেষণা অনুসারে, যেকোনো সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির প্রয়োজনীয় পুষ্টির জন্য সপ্তাহে সাতটি ডিম খাওয়া উচিত। খুব একটা সমস্যা না হলে দিনে তিনটি পর্যন্ত ডিম খাওয়া যেতে পারে।

ডিম খেলে যেসব সমস্যা হতে পারে

ডিমে প্রচুর কোলেস্টরল থাকে। তাই ডিম খাওয়ার কারণে শরীরে কোলেস্টেরল বেড়ে সমস্যা হতে। অনেক সময় ডায়রিয়ার মতো অসুখের কারণ হতে পারে। তাই পরিমিত ডিম খাওয়া উচিত। প্রতিদিন কতগুলো ডিম শরীরের জন্য ভালো, গবেষণায় এখনও সেই তথ্য পাওয়া যায়নি। ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা, জীবনযাপনের ধরন ও খাবারের রুটিনের দিকগুলো বিবেচনা করে ডিম খাওয়ার বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। তবে ডিম যেন অতিরিক্ত না খাওয়া হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

এগ্রিকেয়ার/এমএইচ