পোল্ট্রি ডেস্ক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে হাঁস-মুরগি একটা উল্লেখযোগ্য অংশ। তাই প্রয়োজন সঠিক পরিচর্যা নইলে লোকসান গুণতে হবে। বর্ষাকালে প্রাণিসম্পদের যত্ন নিতে হবে।তাই বর্ষাকালে হাঁস-মুরগির ১০ যত্নে নিশ্চিন্ত থাকুন:-

বর্ষাকালে হাঁস মুরগির ঘর যাতে জীবাণুমুক্ত ও আলো-বাতাসপূর্ণ থাকে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। হাঁস-মুরগির কৃমি, কলেরা, রক্ত আমাশা, পুলরাম রোগ, সংক্রমণ সর্দি দেখা দিতে পারে।

১. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

২. হাঁস-মুরগিকে ভেজা স্যাঁতসেঁতে জয়গায় না রেখে শুকনো ঘরে রাখতে হবে এবং মাঝে মধ্যে জীবাণুনাশক স্প্রে করতে হবে।

৩. বর্ষাকালে গবাদিপশুকে সংরক্ষণ করা খড়, শুকনো ঘাস, ভুসি, কুঁড়া খেতে দিতে হবে। হাঁস-মুরগিকে খাওয়ানোর দিকে সর্বোচ্চ খেয়াল রাখতে হবে।

পড়তে পারেন: হাঁস-মুরগির কৃমি ও রক্ত আমাশয় সমস্যায় করণীয় কী?

৪. সে সাথে কাঁচা ঘাস খাওয়াতে হবে; মাঠ থেকে সংগৃহীত সবুজ ঘাস ভালোভাবে পরিষ্কার না করে খাওয়ানো যাবে না।

৫. বর্ষাকালে গবাদিপশুর গলাফোলা, তড়কা, বাদলা, ক্ষুরা রোগ মহামারি আকারে দেখা দিতে পারে। হাঁস-মুরগির মারাত্মক কলেরা, আমাশয়সহ বিভিন্ন রোগ হতে পারে যার লক্ষণ জানতে হবে।

৬. লক্ষণ দেখে প্রতিষেধক টিকা দিতে হবে।

৭. কৃমির আক্রমণ রোধ করার জন্য কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে। কারণ স্যাতসেতে জায়গার কারণে কৃমির উপদ্রব বাড়তে পারে।

পড়তে পারেন: বর্ষাকালে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশল ও পরিচর্যা

৮. হাল চাষের পর গরুকে ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। হাঁস পুকুর থেকে কিংবা নদীতে ছেড়ে না দেওয়াই ভালো। বেশি পানির কারণে হারিয়ে যেতে পারে।

৯. এছাড়া যে কোনো পরামর্শের জন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

১০. বাজারে রাণীক্ষেতের জন্য নবিলিস এনডি ল্যাসুটা, এনডিএলএস, সিভেক নিউ এল, আইজোভ্যাক এনডি কিল্ড, নিউক্যাভাক, ইমোপেস্ট, নিউক্যাসেল ল্যাসুটা ওষুধ রয়েছে। এছাড়া গামবোরো রোগে নবিলিস ২২৮, সিভেক গামবো এল, আইজোভ্যাক গামবো-২ রয়েছে। আর বসন্ত রোগে সিভেক এফপিএল, নবিলিস, ওভোড্রিপথেরিন পাওয়া যায়।

বর্ষাকালে হাঁস-মুরগি নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে ১০ যত্ন লেখাটি কৃষিতথ্য সার্ভিস থেকে নেওয়া হয়েছে।

এগ্রিকেয়ার/এমএইচ