
প্রতিনিধি হিলি, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: বাজারে বেড়েছে আমদানি করা আদা ও রসুনের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি পণ্য প্রতি কেজিতে প্রায় ১৫ থেকে ৩০ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। ৭ দিনের ব্যবধানে ভারতীয় রসুনের কেজিতে বাড়লো ৩০ টাকা। এর কারণ হিসেবে পাইকারি বাজারের ব্যবসায়ীরা ডলারের ঊর্ধ্বমুখী দামকে দায়ী করছেন।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে রসুনের দাম বেড়েছে কেজিতে ৩০ টাকা। দেশীয় রসুনের সরবরাহ ও আমদানি কমে যাওয়ায় বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি রসুন ৫০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বেড়ে ৮০ টাকায় উঠেছে। হঠাৎ রসুনের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। ব্যবসায়ীরা আমদানি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
ব্যবসায়ী সাইফুল্লাহ জানান, অন্যান্য পণ্যের অস্থির বাজারে আমদানি বৃদ্ধির পর বেশ কিছু সময় নিম্নমুখী ছিল মসলা পণ্যটির দাম। কিন্তু হঠাৎ পণ্যটির বাজার আবার বাড়তে শুরু করেছে। যারা আমদানি করছেন তারা কম দামে ছাড়ছেন না।
এ ব্যবসায়ী বলেন, ডলারের দাম বাড়ার পরেও বেশ কিছু সময় সরবরাহ চাপে বাড়তি দামে আমদানি করা বহু ব্যবসায়ী লোকসান করেছেন। এজন্য এখন আমদানি কমিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এতে বাজারে পণ্যটির কিছুটা সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে।
এগ্রিকেয়ার২৪.কমের আরোও নিউজ পড়তে পারেন:
পেঁয়াজ রসুনে ভরপুর উত্তরের জনপদ
বেড়েছে আটা ময়দার দাম, কমেছে পেঁয়াজ-রসুনের
ভারত থেকে ৪ মাসে ৮০ কোটি টাকার রসুন আমদানি
ভারতীয় রসুনে বাজার সয়লাব, একলাফে কেজিতে বাড়লো ৬০ টাকা
হিলি বাজারের রসুন বিক্রেতা শাকিল খান বলেন, মোকামে রসুনের সরবরাহ কমে গিয়েছে। আগে যেখানে প্রতিদিন ১০০ টন রসুন আসত, এখন আসছে ৫০ টন। অন্য বিক্রেতা রায়হান ইসলাম বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে ভারত থেকে রসুন আমদানি বন্ধ ছিল। ফলে আমাদের বাড়তি দামেই পণ্যটি কিনে বিক্রি করতে হয়েছে। প্রতি কেজি দেশি রসুন মানভেদে ৭০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। দেশি আদার দামও ১০০ টাকার মধ্যে। তবে আদার সরবরাহ খুব কম।
হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূর এ আলম বলেন, কেউ যেন অন্যায়ভাবে পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি করতে না পারে, সেজন্য নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানা করা হচ্ছে। এর পরও বাড়তি দামে পণ্য বিক্রির কোনো অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এগ্রিকেয়ার/এমএইচ
























