ডেস্ক প্রতিবেদন, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: মসুর ডাল আমাদের দেশের অন্যতম প্রধান খাদ্যশস্য। মসুর ডাল দিয়ে তৈরি করা হয় নানা রকমের পুষ্টিকর ও মুখরোচক খাবার। এর পুষ্টিগুণ এবং উপকারিতা রয়েছে অনেক।

আসুন মসুর ডালের অবিশ্বাস্য গুণ গুলো জেনে নিই:

পুষ্টিগুণ:
পুষ্টিমাণ খাবারযোগ্য অনুযায়ী প্রতি ১০০ গ্রাম মসুর ডালে রয়েছে  ১২.৪ গ্রাম জলীয় অংশ, ২.১ গ্রাম খনিজ পদার্থ, ০.৭ গ্রাম আঁশ , ৩৪৩ কিলো ক্যালরি খাদ্য শক্তি, ২৫.১ গ্রাম আমিষ, ০.৭ গ্রাম চর্বি, ৬৯ মিলিগ্রাম
ক্যালসিয়াম , ৪.৮ মিলিগ্রাম লৌহ, ২৭০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন , বি-২ঃ ০ ৪৯ মিলিগ্রাম ভিটামিন ৫৯.০ গ্রাম
শর্করা রয়েছে।

আরও পড়ুন: জেনে নিই মাশরুমের পুষ্টিগুণ

উপকারিতা: 

প্রোটিনের ঘাটতি দূর করে : মসুর ডালে উপস্থিত ২৬ শতাংশ ক্যালরি আমাদের শরীরে প্রোটিন হিসেবে প্রবেশ করে। ফলে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় এই উপাদানের ঘাটতি দূর হয়।

হজম ক্ষমতার উন্নতি : মসুর ডালে থাকা প্রচুর পরিমাণে ফাইবার হজমে সহায়ক এসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে তোলে।

হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : মসুর ডালে ফাইবার ছাড়াও ফলেট ও ম্যাগনেশিয়ামের উপস্থিতি হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ফলে কোনো ধরনের হার্টের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

রক্তে শর্করার মাত্রা কমায় : ডালে উপস্থিত সলেবল ফাইবার ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এবং হাইপোগ্লাইসেমিয়ার মতো সমস্যাও কম হয়।

আরও পড়ুন:বাতাবি লেবু খাওয়ার উপকারিতা

ওজন হ্রাসে সাহায্য : পেট ভরা থাকলে খাওয়ার ইচ্ছা কমে। খাবার যত কম খাওয়া হবে, তত ওজন বাড়ার আশঙ্কা কমবে। মসুর ডালে উপস্থিত কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, উপকারী খনিজ ও ফাইবার অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেটকে ভরিয়ে রাখে।

এনার্জির ঘাটতি দূর হয় : শরীরে ফাইবার ও কার্বোহাইড্রেটের ঘাটতি যত কমবে, তত এনার্জি বাড়তে থাকবে। তাই অল্পতে ক্লান্ত হয়ে পড়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে বেশি করে মসুর ডাল খাওয়া শুরু করুন।

মসুর ডালের অবিশ্বাস্য গুণ শিরোনামে লেখাটি কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

এগ্রিকেয়ার /  এমবি