ডেস্ক প্রতিবেদন, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: মুলা এক প্রকার সবজি। আমাদের দেশে এই সবজি চাষ দিন দিন বেড়েই চলেছে। তবে বিভিন্ন রোগের কারণে চাষিরা মুলার ভালো ফলন পান না। তাই মুলার বিভিন্ন রোগের কারণ ও দমন ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে আমাদের জানতে হবে।

চলুন মুলার বিভিন্ন রোগ ও দমন সম্পর্কে জেনে নিই:

মূলার পাতার দাগ রোগ:
কারণ: মূলার পাতার দাগ ছত্রাক জনিত  রোগ।
দমন: এ রোগ দমনে কার্বেন্ডাজিম জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন- নোইন অথবা এইমকোজিম ২০গ্রাম) অথবা সালফার জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন- কুমুলাস ৪০গ্রাম অথবা গেইভেট ২০গ্রাম) প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে ১২-১৫দিন পরপর ২-৩বার ভালভাবে স্প্রে করতে হবে।

আরও পড়ুন: অধিক ফলন পেতে মুলার যেসব জাত নির্বাচন করবেন

মুলার গ্রে মোল্ড রোগ:
কারণ: মুলার গ্রে মোল্ড ছত্রাক জনিত রোগ।
দমন: এ রোগ দমনের জন্য কপারঅক্সিক্লোরাইট জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন- ডিলাইট ৫০ ডব্লিউপি অথবা গোল্ডটন ৫০ ডব্লিউপি ২০ গ্রাম) প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে ১২-১৫ দিন পর পর ২-৩ বার ভালভাবে স্প্রে করতে হবে।

মুলার মোজাইক রোগ:
কারণ: মুলার মোজাইক রোগ সাদা মাছি দ্বারা সংক্রমণ ঘটায়।
দমন: এরোগ দমনে জমিতে সাদা মাছি দেখা গেলে (বাহক পোকা) ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন এডমায়ার অথবা টিডো ১০ মি.লি.) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে। সকাল বেলা গাছে ছাই ছিটিয়ে দিলে এই পোকা গাছ থেকে পড়ে যাই।

আরও পড়ুন: লাউয়ের নতুন জাত উদ্ভাবন

সাবধানতা: বালাইনাশক/ কীটনাশক ব্যবহারের আগে বোতল বা প্যাকেটের গায়ের লেবেল ভালো করে পড়ে এবং নির্দেশাবলি মেনে চলতে হবে। ব্যবহারের সময় নিরাপত্তা পোষাক পরিধান করতে হবে। ব্যবহারের সময় ধূমপান এবং পানাহার করা যাবেনা। বালাইনাশক ছিটানো জমির পানি যাতে মুক্ত জলাশয়ে না মেশে তা লক্ষ্য রাখতে হবে। বালাইনাশক প্রয়োগ করা জমির ফসল কমপক্ষে ৭ থেকে ১৫দিন পর বাজারজাত করতে হবে এবং খেতে হবে।

মুলার বিভিন্ন রোগের কারণ ও প্রতিকার শিরোনামে লেখাটির তথ্য কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

এগ্রিকেয়ার / এমবি