মেধা ও মননের বিকাশে

ক্যাম্পাস ডেস্ক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: মেধা ও মননের বিকাশে ই-লাইব্রেরির ব্যবহার বাড়াতে হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদের ই-বুক ও ই-জার্নাল ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্য, জ্ঞান ও গবেষণার পরিধি বাড়াতে হবে।

বুধবার (৪ মার্চ, ২০২০) সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) ‘ই-বুক ও ই-জার্নাল উদ্বুদ্ধকরণ’ কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেন। এ সময়ে বিশ্বব্যাপী চলমান গবেষণার তুলনামূলক তথ্য চিত্র জানতে হলে ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই বলে তারা উল্লেখ করেন।

সিকৃবির কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপি কর্মশালাটি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করেন সিকৃবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মতিয়ার রহমান হাওলাদার।

সিকৃবির কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের লাইব্রেরিয়ান সুবীর পালের সভাপতিত্বে এবং উপ-গ্রন্থাগারিক মো: নূরুল কাওসারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোঃ আবু সাঈদ, রেজিস্ট্রার মো: বদরুল ইসলাম শোয়েব, ভারতের উইলির বিপণন ব্যবস্থাপক নিতিন পেট্রিক।

কর্মশালায় বিষয় বিশেষজ্ঞ হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভারতের উইলির সিনিয়র ব্যবস্থাপক রাহুল দাশ গুপ্ত।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মতিয়ার বলেন, গ্রন্থাগার হচ্ছে জ্ঞান অর্জনের উপযুক্ত আধার। গ্রন্থাগারমুখী হলে দেশ  বিদেশের চলমান ঘটনাবলীসহ ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্মন্ধে জানা যাবে। এ সময় তিনি তথ্য ও গবেষণা আদান প্রদানে ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহারের উপর গুরুতারোপ করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বদরুল ইসলাম শোয়েব বলেন, মনের হাসপাতাল হচ্ছে গ্রন্থাগার। ই-লাইব্রেরির ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা বিশ্ব প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যেতে পারব। কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং বিশেষজ্ঞরা অংশ গ্রহণ করেন।

মেধা ও মননের বিকাশে ই-লাইব্রেরির ব্যবহার বাড়াতে হবে এমন মন্তব্যের সাথে কর্মশালায় উপস্থিত সবাই এক মত পোষণ করেন। কেননা ই-লাইব্রেরির মাধ্যমে সহজেই পাঠকেরা তাদের মনের মতো বই পাঠ করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: খাবার উপযোগী পোকা নিয়ে গবেষণায় আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন সিকৃবির মেহেদী’র