নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: রাজশাহীতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ২৩ টি কোরবানির হাট বসানো হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর। এদিকে করোনা সংক্রমণ রোধে বাড়তি সতর্কতায় জেলা প্রশাসন। জেলায় নির্ধারিত হাটের বাহিরে কোন অস্থায়ী হাট বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল।

জেলায় ১৯টি স্থায়ী এবং ৪টি অস্থায়ী হাটে পশু কেনাবেঁচা করতে পারবে ক্রেতা-বিক্রেতারা। আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে বসা এসব হাটে থাকছে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা। বয়স্ক, শিশু, মেয়ে মানুষ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের হাটে না আসার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল এগ্রিকেয়ার২৪.কম কে জানান, জেলায় নির্ধারিত হাটের বাহিরে কোন অস্থায়ী হাট বসতে দেওয়া হবে না। সিটি করপোরেশনের অধীনে যে হাট রয়েছে তারা সে বিষয়ে বলতে পারবেন। জেলা প্রশাসনের অধীনে প্রতিটি উপজেলা মিলিয়ে ১৬ টি হাট রয়েছে। সবগুলোই স্থায়ী হাট। অস্থায়ী ৪ হাট বিসয়ে আমার জানা নাই। সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাট পরিচালনা করার জন্য প্রতিটি উপজেলায় ইতোমধ্যে যেসব নির্দেশনা আছে সেগুলো দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া প্রতিটি হাটে মনিটরিং। হাটগুলো যাতে প্রধান সড়ক পর্যন্ত না উঠে আসতে পারে সেজন্য প্রতিটি উপজেলা প্রশাসনকে আবহিতকরণ। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে এবারের পশুর হাটে ভিন্নতা আনা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।

রাজশাহী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) অন্তিম কুমার সরকার এগ্রিকেয়ার২৪,কম কে জানান, এবার কোরবানিতে ১৯টি স্থায়ী এবং ৪টি অস্থায়ী হাট বসবে। জনসমাগম ও সংস্পর্শতা রোধে প্রতিটি হাটের প্রবেশ পথ ও বের হওয়ার পথ আলাদা থাকবে। হাটে প্রবেশের সময় মাপা হবে শরীরের তাপমাত্রা। এছাড়াও তবে এবার বয়স্ক, শিশু, মেয়ে মানুষ ও অসুস্থ্যদের হাটে না যাবার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। হাটের ভিতরে গরু ছাগল কমপক্ষে ৬ ফুট দূরে রাখতে হবে, এজন্য ৩ ফুট দূওে দূরে পশু বাঁধার জন্য খুঁটি থাকবে। হাটে কমপক্ষে ১০টি খাজনা উত্তলনবুথ রাখা হবে যাতে সামাজিক দূরত্ব ঠিক থাকে ও চাপ কম হয়।

তিনি আরোও জানান, হাটে বকনা এবং গাভীর প্রেগনেন্সি পরীক্ষা করার জন্য মেডিকেল ভেটেরিনারি টিম গঠন করা হয়েছে। ৯ টি উপজেলার প্রতিটি হাটে ১ টি করে টিম থাকবে। সিটি হাটের জন্য ২টি মেডিকেল টিম রাখা হয়েছে। এসব হাটে অসুস্থ গবাদি প্রাণি যেন হাটে আসতে না পারে সেজন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ এবং জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা মনিটরিং করবেন।