নিজস্ব প্রতিবেদক, লালপুর (নাটোর): নাটোরের লালপুরে আসন্ন কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে প্রায় ৭৫ কোটি টাকার পশু বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছেন লালপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ চন্দন কুমার সরকার। এর মধ্যে অনলাইনে বিক্রি হয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ টাকার পশু।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানায়, উপজেলায় এবার কোরবানি ঈদ ঘিরে ৪১ হাজার ৯০৭টি গবাদিপশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। যার বাজার মূল্য ধরা হয়েছিলো ১৭৫ কোটি টাকা। তবে ক্রেতা সংকটে এবার প্রস্তুতকৃত পশুর অর্ধেক পশু বিক্রি করতে পেরেছে খামারিরা। ধস নেমেছে অনলাইন পশুর হাটেও।

গত বছর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অনলাইনে ১৩ কোটি টাকার পশু বিক্রি হলেও এবার হয়েছে মাত্র ১ কোটি ৪ লাখ টাকা। আর অনলাইনে পশু বিক্রির জন্য ৮৭০ টি পশুর ছবি আপলোড করা হয়েছিল। যা গত বছরের তুলনায় এক-তৃতীয়াংশেরও কম।

পড়তে পারেন: শেষ সময়ে কাটতি বেড়েছে মাঝারি গরুর

এদিকে গরুর খামারী আব্দুল মোতালেব, আবু সাঈদ বলেন, এই ঈদে গরুর চাহিদা কম। আবার দামও খুব একটা বেশি হয় নি। ফলে গরু অবিক্রীত থেকে গেছে। গোখাদ্যের দামের সাথে গরুর দামের সামঞ্জস্য না থাকায় লোকসানের মুখে পড়তে হয়েছে।

এবিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ চন্দন কুমার সরকার বলেন, এবছরে চাহিদার থেকে ৮ হাজার ১৭৭টি পশু বেশি থাকলেও পশু বিক্রির লক্ষমাত্রা পূরণ হয় নি। ৭৫ কোটি টাকার পশু বিক্রির মধ্যে অধিকাংশ পশু প্রচলিত হাটেই বিক্রি হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি হ্রাস পাওয়ায় অনলাইন হাটে মানুষের আগ্রহ কম ছিল। এছাড়া দেশের বন্যা পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক সংকটে এবার কিছুটা কম পশু বিক্রি হয়েছে।

এগ্রিকেয়ার/এমএইচ