
নিজস্ব প্রতিবেদক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: কৃষি মন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাক ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম.এ. মান্নান সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাওরের ধান কাটা পরিদর্শন করেন। এ সময় কৃষি মন্ত্র বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি লটারীর মাধ্যমে ৮ লাখ টন ধান ক্রয় করা হবে। বর্তমান সরকার কৃষি খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। দেশের খাদ্য ও খাদ্য শস্য উৎপাদনে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে হাওর এলাকার কৃষকের যথেষ্ট অবদান রয়েছে।
করোনা ভাইরাস সংকটের কারণে হাওর এলাকায় ধান কাটার শ্রমিকের সংকট দেখা দিয়েছিল। সরকার প্রশাসনের সহযোগিতায় বাইরের জেলা গুলো থেকে শ্রমিক হাওর এলাকায় নিয়ে আসছে। তারা স্বাস্থ্য বিধি মেনে হাওরে ধান কাটার কাজ করেছেন। হাওরের ধান দ্রুত কেটে নেয়ার জন্য কৃষকের ভুর্তুকি দিয়ে ধান কাটার হারভেস্টার মেশিন দেয়া হয়েছে। ধান কাটার সময় বজ্রপাতে নিহত কৃষকের পরিবারকে ১ লাখ টাকা সহযোগিতা করা হবে। তাদের পরিবারের লোকসংখ্যা বেশি হলে ২ লাখ টাকা দেয়া হবে। কৃষিখাতকে অরো আধুনিকায়ন উন্নত ও গতিশিল রাখতে স্বল্প সুদে ঋণ ও প্রণোদনা দেয়া হবে। যাতে কৃষক সর্বোচ্চ উৎপাদন করতে পারেন।
জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা জানায় কোভিড- ১৯ এর সংক্রমনের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে। তাই ওই সব দেশে দুর্ভিক্ষের অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে। এজন্য দেশের খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। এজন্য আওয়ামীলীগ সরকার ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছেন। এছাড়া মাঠের কৃষকদের উৎসাহ দিতে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগের নেতৃবৃন্দ মাঠে ধান কেটেছেন। বুধবার দুপুরে সুনামগঞ্জের দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাওরে ধান কাটা উৎসব পরিদর্শন শেষে সাংবাদিককের কাছে কৃষি মন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাক এসব কথা বলেন।
পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সরকার স্বাস্থ্য ও কৃষিখাতকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য প্রয়োজন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ভালো চিকিৎসার প্রয়োজন। এই দুটি খাতে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। হাওরের পাকা ধান দ্রæত কাটতে তিনি কৃষকদের প্রতি আহবান জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. জয়াসেন গুপ্তা, সুনামগঞ্জ ৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য শামীমা অক্তার খানম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সফর উদ্দিন সহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগন।
























