
নিজস্ব প্রতিবেদক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: উজানের পাহাড়ি ঢল ও অতিবর্ষণে বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ছড়িয়ে গেছে পুরো জেলা। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে ৮৩৪ হেক্টর জমির ফসল।
বগুড়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক এনামুল হক এগ্রিকেয়ার২৪.কমকে বলেন, জেলার সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনট তিন উপজেলার ক্ষতি বেশি হয়েছে। এই তিন উপজেলার ৮৩৪ হেক্টর জমির আউস, পাট, ভূট্টা ও বীচতলা বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। ডুবে যাওয়া ফসলের মধ্যে সারিয়াকান্দি উপজেলার ৭১০ হেক্টর, সোনাতলার ৯৬ হেক্টর ও অবশিষ্ট ধুনট উপজেলার ফসল পানিতে ডুবে গেছে।
পড়তে পারেন: কুড়িগ্রামে বন্যায় ভেসে গেছে ৫৩ কোটি টাকার মাছ
সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনটের ৮৩৪ হেক্টর জমির আউস, পাট, ভূট্টা ও বীচতলা বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এদিকে যমুনা তীরবর্তি নিম্নাঞ্চলে সোনাতলা ,সারিয়াকান্দি ও ধুনটের বন্যা কবলিত অঞ্চলের মানুষ নিজ বসতবাড়ি থেকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আসতে শুরু করেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানাগেছে, সারিয়াকান্দি পয়েন্টে যমুনার পানি বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিলো।
বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, সারিয়াকান্দির চরের নি¤œাঞ্চলে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। শনিবার সন্ধ্যা থেকে যমুনার পানি বগুড়ার সারিয়াকান্দি পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। ইতোমধ্যে সারিয়াকান্দির যমুনার চরাঞ্চলে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। সারিয়াকান্দি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৬ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার। যমুনার পানি এখন বিপদ সীমার ১৭ দশমিক ২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো: জিয়াউল হক জানিয়েছেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় যথেষ্ঠ প্রস্তুতি রয়েছে। চাল, শুকনা খাবার ও নগদ টাকা মজুদ রয়েছে।
এগ্রিকেয়ার/এমএইচ
























