
নিজস্ব প্রতিবেদক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: করোনাকালে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ৭ হাজার ৬’শ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এককালীন মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। প্রত্যেককে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়া হয়েছে এবং কিছু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) সৈয়দা সামিরা।
চারঘাট উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভায় সর্বমোট ৭ হাজার ৬০০ পরিবার পেয়েছে। এছাড়াও কিছু প্রক্রিয়াধীন আছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চারঘাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস এম শামীম।
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে দেশের ৫০ লাখ পরিবারকে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দেয়া হচ্ছে আর্থিক সহায়তা। এর মধ্যে রিক্সা ও ভ্যানচালক, দিনমজুর, কৃষিশ্রমিক, পোল্ট্রি খামারের শ্রমিক, বাস-ট্রাকের পরিবহন শ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশার দরিদ্র মানুষ। গত ১৪ মে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। নিজ কার্যালয়ে ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তালিকাটা করার সময় বার বার বলেছি, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর সুবিধাভোগীদের বাইরের ৫০ লাখ পরিবারকেই তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। সেই তালিকা ধরেই মোবাইলের মাধ্যমে সরাসরি তাদের হাতে পৌঁছে যাবে উপহার।’ এরপর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক দেশের বিভিন্ন স্থানে উপকারভোগীদের কাছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নগদ অর্থ পাঠানো হয়।
একজন চারঘাট পৌর এলাকার সুবিধাভোগীরা বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা পেয়েছি। সেই টাকা দিয়ে সংসারের বাজার করেছি। এজন্য আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি যেন সারাজীবন দেশের খেদমত করার সুযোগ পান। আমরা কোন দল করি না। এ করোনা সঙ্কটের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী যে সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন তাতে আমরা খুবই উপকৃত হয়েছি। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে যে টাকাগুলো পেয়েছি তা যখন খুশি তখন উঠাতে পারব। প্রয়োজন মতো জিনিসপত্র কিনতে পারব। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে চারঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) সৈয়দা সামিরা বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষদের সমন্বয়ে গঠিত ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন কমিটির মাধ্যমে তালিকা করা হয়েছে এবং বিভিন্ন ভাবে পর্যালোচনা শেষে চূড়ান্ত তালিকা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে প্রদান করা হয়েছে।
কিন্তু অনেকেই টাকা না পাওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, নতুন একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রতিনিয়তই যাচাই-বাছাই ও পরীক্ষা করছে কেন তারা টাকা পাইনি এবং কি ভাবে তারা টাকা টি পাবে সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে, তবে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সদিচ্ছার কারণেই প্রত্যেকটি সুবিধাভোগী ব্যক্তির মোবাইল/ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
























