ডেস্ক প্রতিবেদন, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: চলতি বছরের শুরু থেকে নভেল করোনাভাইরাস মহামারীর সঙ্গে যুদ্ধ করতে গিয়ে চালের উৎপাদন অনেকটাই গতি হারিয়েছে ইন্দোনেশিয়ায়। উৎপাদনের তুলনায় চালের চাহিদা বাড়তির দিকে দেশটিতে। এর জের ধরে দেশটিতে কমতে শুরু করেছে চালের মজুদ। ইন্দোনেশিয়ার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর জাকার্তা পোস্ট।

দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের এখন পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ায় চাল উৎপাদন প্রায় ১০ শতাংশ কমে গেছে। এ সময় দেশটিতে খাদ্যপণ্যটির উৎপাদন ১ কোটি ৭৮ লাখ টনে নেমেছে। একই সময়ে দেশটিতে চালের চাহিদা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ লাখ টনে। উৎপাদন কমার বিপরীতে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় টান পড়েছে চালের মজুদে। এ সময় ইন্দোনেশিয়ায় খাদ্যপণ্যটির মজুদ কমে দাঁড়িয়েছে সাকল্যে ৩৩ লাখ টনে। ইন্দোনেশিয়ান রাইস মিলারস অ্যান্ড অন্ট্র্যাপ্রেনিওরস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডমেস্টিক ট্রেড ডিরেক্টর জেনারেল সুহান্তো বলেন, নভেল করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে ইন্দোনেশিয়ায় লকডাউন চলছে। এ পরিস্থিতিতে স্বল্প আয়ের মানুষদের সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে। তারা সহায়তা হিসেবে চাল পাচ্ছেন। এতে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা বাড়তির দিকে রয়েছে। টান পড়ছে চালের রাষ্ট্রীয় মজুদে। ফলে সম্ভাব্য সংকটময় পরিস্থিতি সামাল দিতে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব না হলে চালের আমদানি বাড়ানোর বিকল্প নেই।