নিজস্ব প্রতিবেদক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: করোনা পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বুধবার (০৭ এপ্রিল ২০২১) সারাদেশে ন্যায্যমূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস ভ্রাম্যমাণ পদ্ধতিতে বিক্রয় শুরু হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় রংপুরের বদরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণে ন্যায্যমূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় উদ্ধোধন করা হয়েছে। আজ সোমবার ( ১২ এপ্রিল ২০২১) কার্যক্রমের সূচনা দিনে উপজেলা চত্তরে প্রতিলিটার দুধ ৪০ টাকা, ডিম সাড়ে ৬ টাকা, প্রতিকেজি ব্রয়লার ১২৫ টাকা ও সোনালী মুরগি ২২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি শুরু হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বদরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি সুইট, বদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মেহেদী হাসান, উপজেলা প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ওমর ফারুক, ভেটেনারি সার্জন স্বপন চন্দ্র সরকার, লাইভস্টক এক্সটেনশন কর্মকর্তা ডাঃসুস্মিতা রায়, বদরগঞ্জ ডেইরি এন্ড মিট ফারমার্স কল্যাণ এসোসিয়েশনের সভাপতি রাকিবুজ্জামান পলাশ, বদরগঞ্জ পোল্ট্রি এসোসিয়েশনের সভাপতি মাসুদ পারভেজ পাপ্পুসহ প্রমুখ।

এরআগে গত মঙ্গলবার (০৬ এপ্রিল) বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত চলমান নিষেধাজ্ঞাকালে মাছ, হাঁস-মুরগি, গবাদিপশু, দুধ, ডিম, মাছের পোনা, মুরগির বাচ্চা, পশু চিকিৎসা সামগ্রী, টিকা, কৃত্রিম প্রজনন সামগ্রী, মৎস্য ও পশু খাদ্য, ঔষধ ইত্যাদি পরিবহণ ও বিপণন কার্যক্রম নিশ্চিতকরণ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ভার্চুয়াল সভায় সারাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় চালুর নির্দেশ দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

এসময় তিনি বলেন, “আমরা সবকিছু বন্ধ করে দিলে মানুষের মাছ, মাংস, দুধ ডিমের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে না। আবার উৎপাদক, খামারি, বিপণনকারীসহ এ খাত সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। গতবছর এ খাতের সংকট উত্তরণে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল, কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে, পরিবহনের বাধা দূর করা হয়েছে। বন্দরে মৎস্য ও প্রাণী খাদ্য ছাড়করণেও আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। এবছরও প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদিত পণ্য ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।”

ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করার জন্য সভায় সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় ও জেলা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের তৎপর থাকার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।

উল্লেখ্য, গতবছর করোনা সংকটে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা মূল্যের খামারিদের উৎপাদিত মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম ভ্রাম্যমান ব্যবস্থায় বিক্রয় করা হয়েছে।

এগ্রিকেয়ার/এমএইচ