নিজস্ব প্রতিবেদক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ায় কমেছে দেশীয় পেঁয়াজের দাম। দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে নাসিক ও ইন্দোর জাতের পেয়াজ আমদানি হচ্ছে।

এদিকে ঈদের আগে দাম কমায় স্বস্তি ফিরেছে ভোক্তাদের মাঝে। আমদানি বাড়লে দাম আরো কমতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

জানা গিয়েছে, একদিন আগেও হিলির খুচরা বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের দাম ছিল কেজিপ্রতি ৪০ টাকা। বর্তমানে দাম কমে মানভেদে ৩০-৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আমদানীকৃত ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ ২৫ টাকা ও নাসিক জাতের ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

পড়তে পারেন: সোনামসজিদ দিয়ে ঢুকছে ভারতীয় পেঁয়াজ

বন্দরসংশ্লিষ্টরা জানান, আমদানির অনুমতি দেয়ায় দীর্ঘ দুই মাস পর আবারো হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় ভারত থেকে ১৭ টন পেঁয়াজবোঝাই একটি ট্রাক দেশে প্রবেশের মধ্য দিয়ে আমদানি শুরু হয়। গতকালও আমদানি অব্যাহত ছিল। বন্দর দিয়ে ইন্দোর ও নাসিক দুই জাতের পেঁয়াজই আমদানি হয়েছে।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের সিনিয়র সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, সরকার পেঁয়াজ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে ও দেশীয় কৃষকের উৎপাদিত পেঁয়াজের ন্যায্যমুল্য নিশ্চিত করতে পেঁয়াজ আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এতে গত ৫ মে থেকে হিলিসহ দেশের সব স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি বন্ধ হয়ে যায়।

পড়তে পারেন: ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানির খবরে দেশীতে কমলো ৮ টাকা

এতে বিপাকে পড়েন বন্দরের আমদানিকারকরা। সম্প্রতি দেশের বাজারে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি ও কোরবানির ঈদকে ঘিরে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ৩ ও ৪ জুলাই আবারো পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। হিলি স্থলবন্দরের কয়েকজন আমদানিকারক আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, মঙ্গলবার বন্দর দিয়ে মোট ১২টি ট্রাকে ২৯৯ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।

এগ্রিকেয়ার/এমএইচ