এগ্রিকেয়ার২৪.কম পোল্ট্রি ডেস্ক: তৃণমূল পর্যায়ে ডিম উৎপাদনকারী খামারিরা একেবারেই ভালো নেই। অনেকেই খামার বন্ধ করে পথে বসেছেন। এমন দূর্দিনে সংশ্লিষ্টদের কাউকে পাশে পাচ্ছে না খামরিরা।

এসব বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে এগ্রিকেয়ার২৪.কম এ লিখেছেন পোল্ট্রি খাতের উদ্যোক্তা ডা. খন্দকার মাহমুদ হোসেন।

ডিমের দাম আজো অনেক কম। কেউ কি খোজ রাখে এই সেক্টরের? …. শেয়ার বাজারে মতোন এখানে কারো পতনে কারো লাভ হয়…. এখানেও লাভ আছে যাদের বড় ধরনের বিনিয়োগ আছে।

যেমন: ১) যাদের অনুমিত নেই, তারাও যখন “ইন্ট্রিগ্রেডেড সিস্টেমের” মাধ্যমে নিজেরাই বাচ্চা ও ফিড উৎপাদনের থেকে শুরু করে “কমার্শিয়াল লেয়ার এবং ব্রয়লার” পালন করে,

২) যখন নিজেরাই পন্যের কাচামাল থেকে শুরু করে সবকিছুই আমদানি করতে পারে, তখন উৎপাদন খরচ নুন্যতম পর্যায়ে এসে যায়,

আর ৩) যখন ডিমের দাম যখন কমে, তখন হ্যাচারী উৎপাদকেরা অন্য ‘বাণিজ্যিক লেয়ার ডিমের’ পাশাপাশি এই ‘হ্যাচারী ডিমেরও’ বাণিজ্যিক বিপণন শুরু করে, ৪) আর যখন ডিম এবং মাংসের দাম ভালো থাকে তখন উচ্চ মূল্যে “একদিনের লেয়ার ও ব্রয়লার বাচ্চা” এবং ডিম বিক্রি করে, এইভাবে প্রায় সব বড় বড় বিনিয়োগকারীরা পুষিয়ে নিতে পারে,

৫) তাই, ডিমের দাম কম হওয়াতে, এখন ছোট ও মাঝারী উদ্যোক্তা এবং প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিরা মার খাচ্ছে পদে পদে এবং সমূলে উৎপাটন হওয়াটা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র…..

আজ ডিমের রাজধানী বলে খ্যাত টাংগাইলের সখিপুর, ঘাটাইল এবং ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া আজ প্রায় লেয়ার মুরগি শুন্য, অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি বলে খ্যাত এলাকাগুলিতে আজ হাহাকার এবং মন্দার আওয়াজ শুনি। কেউ কি সহমর্মিতা দেখায় এদের? বিপদের দিনে কেউ কি এদের পাশে থাকে?