নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: রাজশাহীর বাগমারায় ভুল কীটনাশক ব্যবহারে পুড়ে গেছে কৃষকের পটলের ক্ষেত ।  এতে তিন লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

ব্লেসিং এগ্রোভিট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ঔষুধ ব্যবহার করে এমন ক্ষতি হয়েছে বলে জানান কৃষক মিজানুর রহমান। ওই কোম্পানীর মার্কেটিং অফিসার আশরাফুল ইসলামের প্রেসকিপশন অনুসারে ঔষুধ ব্যবহার করেই  এই  ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:রাজশাহীর বাগমারায় মাঠ দিবস পালন

ওই ঘটনায় কৃষক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে মার্কেটিং অফিসার ও ডিলারের বিরুদ্ধে ক্ষতি পূরণের দাবী জানিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং কৃষি অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পটল চাষী মিজানুর রহমান তার পটল ক্ষেতে কি ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করলে ফসল ভাল হবে ঔষুধ কিনার জন্য তিনি ভবানীগঞ্জ আক্তার এন্টারপ্রাইজে যান। সেখানে ব্লেসিং এগ্রোভিট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মার্কেটিং অফিসার আশরাফুল ইসলাম কৃষক মিজানুর রহমানকে তার কোম্পানীর ঔষুধ হাইগ্রো ৩০ মিলি ও ব্লেজেব ব্লু পটল ক্ষেতে ব্যবহারের জন্য বলে।

মার্কেটিং অফিসারের কথামত কৃষক মিজানুর রহমান ঔষুধ কোম্পানীর ঔষুধ গুলো ক্রয় করেন এবং তার পটল ক্ষেতে ব্যবহার করেন। ঔষুধ গুলো ব্যবহারের পর পরই তার ক্ষেতে পটল গাছ গুলো পুড়ে যায়। পটল গাছ পুড়ার কারনে তার তিন লাখ টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে বলে তিনি লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুন: বাগমারায় কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভবন উদ্বোধনে সাংসদ এনামূল

কৃষক মিজানুর রহমান জানান, তার এক মাত্র উপার্জনের জায়গাটুকু হচ্ছে পটল ক্ষেত। তিনি প্রতি সপ্তাহে পটল ক্ষেত থেকে পাঁচ হাজার টাকার পটল উত্তোলন করে বাজারে বিক্রি করেন। তার আর বেচার মত কোন কিছু নেই বলে তিনি জানিয়েছেন।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও মার্কেটিং অফিসার আশরাফুল ইসলামের মুঠোফোনে দফায় দফায় ফোন দিলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি অফিসার রাজিবুর রহমান লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে এগ্রিকেয়ার.কমকে বলেন, অভিযোগের সাপেক্ষে তদন্ত করা হয়েছে। আর পরবর্তীতে দু`পক্ষ নিজেরাই সমাধান হয়ে গেছে।

এগ্রিকেয়ার / এমবি