আন্তর্জাতিক কৃষি ডেস্ক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: চলতি ২০২০ বছরের প্রথম নয় মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১৭ হাজার কোটি রুপির (স্থানীয় মুদ্রা) বেশি মূল্যের চা রফতানি করেছে শ্রীলংকা।

তবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চা রফতানি থেকে দেশটির আয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে এসেছে। সব মিলিয়ে গত বছরের চেয়ে এবার ১ হাজার ২০০ কোটি শ্রীলংকান রুপির কম চা রফতানি হয়েছে দেশটির।

আরও পড়ুন: চাল উৎপাদন কমাতে চায় জাপান

শ্রীলংকা বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ চা উৎপাদনকারী দেশ। পানীয় পণ্যটির বৈশ্বিক রফতানিকারকদের তালিকায় দেশটি তৃতীয় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। চায়ের বৈশ্বিক রফতানি বাণিজ্যের ১১ দশমিক ৩ শতাংশ শ্রীলংকা এককভাবে জোগান দেয়। তবে চলতি বছর দেশটিতে চা উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে এসেছে। উৎপাদনের পাশাপাশি রফতানিও কমতির দিকে রয়েছে। বিশেষ করে সেপ্টেম্বরে দেশটির চায়ের রফতানি রেকর্ড পরিমাণে কমেছে।

শ্রীলংকা চা বোর্ডের পরিসংখ্যানের দেওয়া তথ্য মতে , সেপ্টেম্বরে দেশটি থেকে ১৫ লাখ কেজি চা কম রফতানি হয়েছে। এ সময় দেশটি থেকে মোট ২ কোটি ৪১ লাখ কেজি চা রফতানি হয়েছে। যদিও এ মাসে চা রফতানি করে দেশটির আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯০ কোটি রুপ বেড়ে ২ হাজার ১৯০ কোটি রুপিতে দাঁড়িয়েছে।

শ্রীলংকা চা বোর্ড বলছে, চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে সব মিলিয়ে ১৯ কোটি ৮২ লাখ কেজি সিলন চা রফতানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ কোটি ২৮ লাখ কেজি কম।

আরও পড়ুন: করোনাকালে কমতে পারে তুরস্কের তুলা উৎপাদন

আন্তর্জাতিক বাজারে সিলন চায়ের চাহিদা বেশি। শ্রীলংকা থেকে পানীয় পণ্যটির শীর্ষ তিন রফতানিকারক হলো তুরস্ক, ইরাক ও রাশিয়া। যদিও ইরান, চীন, আজারবাইজাইন ও চিলিও দেশটি থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে চা আমদানি করে। এছাড়া সম্প্রতি সৌদি আরব ও ইউক্রেনেও দেশটির চায়ের রফতানি বেড়েছে। তবে লিবিয়া, সিরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে শ্রীলংকার চায়ের রফতানি গত বছরের তুলনায় এবার কমতির দিকে রয়েছে।

১৭ হাজার কোটি রুপির চা রফতানি করলো শ্রীলংকা শিরোনামে সংবাদের তথ্য বণিক বার্তা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

এগ্রিকেয়ার / এমবি