
নিজস্ব প্রতিবেদক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: রাজধানী ঢাকার বাজারে তিন দিনের ব্যবধানে বেড়েছে মসলাপণ্য পেঁয়াজ ও পোল্ট্রিপণ্য ব্রয়লার, সোনালীসহ সবধরণের মুরগির দাম। এছাড়া বাজারে অন্য সব পণ্যের দাম আগের মতোই রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর বাজার, মহাখালী বাজার, উত্তরা আজম পুর বাজার, রহমতগঞ্জ বাজারে খোঁজ নিয়ে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাব বাজারে সামান্য পড়েছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। সরবরাহ সমস্যার কারণে তাৎক্ষণিক দাম বাড়লেও তা কমবে বলেও জানান তারা।
তবে, বেশিরভাগ বাজারের সবজির দাম আগের মতোই রয়েছে। সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সিমের কেজি ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়। আগের দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। আকার ভেদে বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা।
এগ্রিকেয়ার২৪.কমের আরোও নিউজ পড়তে পারেন:
বরগুনায় সিত্রাংয়ের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শীতকালীন সবজি
খামারিদের সু-খবর, শীঘ্রই কমছে না ডিম-মুরগির দাম
ডিম-মুরগির দাম নির্ধারণ করে কারা, কেন ধরা খায় খামারিরা?
সবজির দাম জানতে চাইলে রহমতগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, করলা ৮০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৬০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৭০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, পেঁপের কেজি ৪০ টাকা, বটবটির কেজি ৮০ টাকা, ধুন্দুলের কেজি ৬০ টাকা।
এসব বাজারে কাঁচামরিচের প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। এছাড়া কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। বাজারে আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। বেড়েছে দেশি পেঁয়াজের দাম। কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। এসব বাজারে রসুনের কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। বাজারে চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা। আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।
পেঁয়াজ বিক্রেতা মো. কবির বলেন, আমদানি কম থাকায় দাম বেড়েছে পেঁয়াজের। বাজার এখনও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়েনি। বাজরে এখনও প্রচুর কাঁচামাল আছে। বাজারে খোলা চিনির দাম বেড়েছে। প্রতি কেজি চিনিতে ৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকা।
মিরপুর ১১ নম্বর বাজারের চিনি বিক্রেতা জানান, অল্প লাভে ১১০ টাকায় খোলা চিনির কেজি বিক্রি করতে হচ্ছে। পাড়া-মহল্লার দোকানে খোলা চিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। এসব বাজারে দেশি মসুরের ডালের কেজি ১৪০ টাকা। ইন্ডিয়ান মসুরের ডালের কেজি ১১০ টাকায়। লবণের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকা। বাজারে ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে ১৭৮ টাকায়।
এসব বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে ফার্মের মুরগির ডিম। ফার্মের লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা। আগের দামে হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ থেকে ২০০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ২২০ থেকে ২২৫ টাকা।
বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৭০০ থেকে ৬৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকায়। বাজারে মুরগির দাম বেড়েছে। ব্রয়লার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩১০ থেকে ৩২০ টাকায়। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৯০ থেকে ৩০০ টাকায়।
মুরগি বিক্রেতা আরিফ বলেন, খামারের মালিকরা বলছেন উৎপাদন কম থাকায় বেড়েছে মুরগির দাম। বাজারে মুরগির সরবরাহ কম থাকার কারণে দাম বেড়েছে।
এগ্রিকেয়ার/এমএইচ
























