
নিজস্ব প্রতিবেদক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: দেশে চালের বাজার স্বাভাবিক রাখতে শুল্ক কমিয়ে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। গত ২৩ জুলাই থেকে চাল আমদানি শুরু হলেও ধীর গতিতে চলে খালাসের কার্যক্রম। শুল্ক প্রত্যাহারের আশায় দীর্ঘদিন থেকে বন্দরে চাল বোঝাই ট্রাক ফেলে রাখা হয়। সেই আটকে থাকা চাল আজ খালাশ শুরু হয়েছে।
এ অবস্থায় সরকার রোববার (২৮ আগস্ট) রাতে পুরোপুরি শুল্ক প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফেরে। কম শুল্কে চাল বাজারে ঢুকলে দাম কমবে বলে আশা করছেন আমদানিকারকরা।
পড়তে পারেন: দাম কমাতে আরও ৩২ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি
এবিষয়ে এক আমদানিকারক বলেন, আমরা আজ থেকে চাল খালাস করা শুরু করেছি। আশা করি, বাজার কিছু টা নিয়ন্ত্রণে আসবে।
আরেকজন আমদানিকারক বলেন, শুল্ক কমে গেলে চালের বাজার অটোমেটিকই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। শুল্ক কমায় আমরা খুব কম মূল্যে চাল বাজারজাত করতে পারব। এতে সবাই লাভবান হবেন। সেই সঙ্গে আমদানিও বাড়বে।
এদিকে বন্দরে ব্যস্ততা বেড়েছে উল্লেখ করে হিলি পানামা পোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রতাব মল্লিক চাল ছাড়ের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
পড়তে পারেন: সংকট কাটাতে রাশিয়া থেকে ৫ লাখ টন গম আমদানি
উল্লেখ্য, হিলি স্থলবন্দরের তথ্যমতে, গত মাসের ২৩ তারিখ থেকে চাল আমদানি শুরুর পর বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় ভারতীয় ২৭১টি ট্রাক প্রায় ১২ হাজার মেট্রিক টন চাল নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।
আমদানির শর্তে বলা হয়, আগামী ২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে এলসি খুলতে হবে এবং এ সংক্রান্ত তথ্য (বিল অব এন্ট্রিসহ) খাদ্য মন্ত্রণালয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ই-মেইল ([email protected]) অবহিত করতে হবে। বরাদ্দপ্রাপ্ত আমদানিকারকদেরকে আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সব চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে। আমদানি করা চালের পরিমাণ, গুদামজাত ও বাজারজাতকরণের তথ্য সংশ্লিষ্ট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে অবহিত করতে হবে।
পড়তে পারেন: চালের বস্তায় বাড়লো ৩০০ টাকা, গরীবের মোটা চালেও আগুন
এতে আরও বলা হয়, বরাদ্দের অতিরিক্ত আইপি ইস্যু/জারি করা যাবে না। আমদানি করা চাল সত্ত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠানের নামে পুনঃপ্যাকেটজাত করা যাবে না। বস্তায় চাল বিক্রি করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাংকে এলসি খুলতে ব্যর্থ হলে এ বরাদ্দ আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।
এগ্রিকেয়ার/এমএইচ
























