
মৎস্য ডেস্ক, এগ্রিকেয়ার২৪.কম: পুকুরে হাঁস থাকলে মাছ বাড়তি খাবার পায়। আবার শামুক থাকলে মাছের গুণগত মান খারাপ হয়ে থাকে। পুকুরে শামুক থাকলে মাছ কৃমি রোগে আক্রান্ত হয়। মাছের ফুলকায় বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। আসুন জেনে নিই পুকুরে শামুক থাকলে নাইলোটিকা মাছের যেসব রোগ হয়।
বর্ষা ও শীতকালে নার্সারি ও লালন পুকুরে এ কৃমি বেশি দেখা যায়। এ জাতীয় কৃমি নাইলোটিকা মাছের ফুলকায় আক্রমণ করে এবং শিরা উপশিরা থেকে রক্ত চুষে নেয়।
লক্ষণ : রোগাক্রান্ত মাছ খুব অস্থিরভাবে চলাফেরা করে। মাছের দেহে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। মাছের শ্বাসকষ্ট হয় ও পুকুর পাড়ে ভাসতে থাকে। পুকুরের পাড়ে কোনো কিছুতে গা ঘষতে থাকে। মাছ দুর্বল হয়। মাছের শ্বাসকষ্ট হয় ও মারা যেতে পারে।
আরও পড়ুন: মাছের পেট ফোলা রোগের কারণ ও চিকিৎসা
প্রতিরোধ-প্রতিকার : জলাশয়ের শামুক পরিষ্কার করা। প্রতি শতাংশে পুকুরে ১ মিটার গভীরতার জন্য ৪০ গ্রাম ডিপ্টারেক্স ৭ দিন পরপর মোট ২ বার প্রয়োগ করতে হয়। ৩.৫ লিটার পানিতে ১ মিলিলিটার ফরমালিন মিশিয়ে সেই দ্রবণে মাছ ৫ থেকে ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখতে হবে।
পুকুরে শামুক থাকলে নাইলোটিকা মাছের যেসব রোগ হয় শিরোনামে লেখাটির লেখক বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত কৃষি প্রাবন্ধিক কৃষিবিদ ফরহাদ আহাম্মেদ সহকারী অধ্যাপক, কৃষিশিক্ষা, শহীদ জিয়া মহিলা কলেজ, ভূঞাপুর, টাঙ্গাইল।
প্রিয় মাছ চাষি পুকুরে, উন্মুক্ত জলাশয়ে, খাঁচায় যেখানেই মাছ চাষ করতে গিয়ে যে কোন সমস্যা হলে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা আপনার সমস্যার সমাধানের তথ্য ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জানিয়ে দিবো।
এছাড়া মাছ চাষের সফলতা, প্রতিবন্ধকতা, চ্যালেঞ্জ নিয়ে যে কোন লেখা লিখে পাঠাতে পারেন। দেশের বৃহৎ তম কৃষিভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল এগ্রিকেয়ার২৪.কম এ তুলে ধরা হবে। চাইলে আপনার পুকুরের মাছ চাষের ছবি অথবা ভিডিও পাঠাতে পারেন, সেগুলোও আপনার নাম ও ছবি দিয়ে প্রকাশ করা হবে। আমাদের কাছে লেখা পাঠাতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজের ম্যাসাঞ্জারে অথবা ইমেইলে [email protected]
























